অপরিকল্পিত ব্রীজ নির্মাণের ক্ষতিপূরণ ও সংশ্লিষ্টদের বিচারের দাবি

সর্বশেষ আপডেটঃ

ঊষার আলো ডেস্ক : অপরিকল্পিত গল্লামারী ব্রীজ নির্মাণের আর্থিক ক্ষতিপূরণ আদায় ও এ প্রকল্পের সাথে সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করানোর দাবি জানিয়েছে খুলনা নাগরিক সমাজ। সংগঠনটির পক্ষ থেকে মাত্র ৭ বছর আগে প্রায় ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ময়ূর নদীর ওপর মাত্র ৫ ফুট উচ্চতায় নির্মিত অপরিকল্পিত, অনুপযোগী, অবাস্তব এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ৭ বছরের ব্যবধানে ব্রীজটি ভেঙ্গে ফেলার সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, ৪ লেন বিশিষ্ট সড়কের সাথে মানানসই এবং প্রয়োজনীয় ৪ লেন বিশিষ্ট ব্রীজ নির্মাণের পরিকল্পনার জন্য সাধুবাদ।

কিন্তু মাত্র ৭ বছর পূর্বে অপরিকল্পিত, অদূরদর্শী এ প্রকল্প গ্রহণ করে জনগণের ও রাষ্ট্রের প্রায় ৭ কোটি টাকা খরচ করা হলো এ দায়ভার কার ? ময়ূর নদীটি মেরে ফেলার অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে আনাড়ী কায়দায় নির্মিত ব্রীজটি নির্মাণে সরকারি বিভিন্ন দপ্তর-মহল থেকে বিরোধিতা-প্রতিবাদ করা সত্বেও সবকিছু পাশ কাটিয়ে ব্রীজটি নির্মাণ করা হলো কি কারণে ? তার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার হওয়া জরুরী। এখন এসে পুনরায় ৫৬ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রস্তাবিত প্রকল্প। বিষয়টি স্বচ্ছতা জবাবদিহিতার আওতায় আনা একান্ত অপরিহার্য। অন্যথায় এ ধরনের স্বেচ্ছাচারিতা অব্যাহত থাকবে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, বিষয়টি বিচারের আওতায় আনলে অন্ততপক্ষে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন হতে পারে।

বিবৃতিদাতারা হলেন, খুলনা নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাড. আ ফ ম মহসীন এবং সদস্য সচিব অ্যাড. মোঃ বাবুল হাওলাদার।

(ঊষার আলো-এমএনএস)