অবশেষে ভাঙ্গা হচ্ছে সোনাডাঙ্গার হেলে পড়া ভবনটি

সর্বশেষ আপডেটঃ

ঊষার আলো রিপোর্ট : অবশেষে নগরীর সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার গত জুনে দক্ষিণ দিকে হেলে পড়া সাত তলা ভবনটি ভেঙ্গে ফেলার কাজ শুরু করেছে কেডিএ। বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে প্রায় ২০ জন শ্রমিক এই ভাঙ্গার কাজ শুরু হয়। বৃহস্পতিবার ভবনটির সপ্তম ও ষষ্ঠ তলা ভাঙার কাজ শুরু হয়।

কেডিএ সূত্রে জানা যায়, সোনাডাঙ্গা আবাসিকের দ্বিতীয় ফেজের ১৩নং সড়কের ১৩২ ও ১৩৩ নম্বর প্লট দু’টি বাংলাদেশ গার্ল গাইডস অ্যাসোসিয়েশনকে বরাদ্দ দেয় কেডিএ। অ্যাসোসিয়েশন প্লট দু’টির ওপর বহুতল ভবন নির্মাণের জন্য ‘অনিক রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড ডেভেলপার’ নামের একটি কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়। ২০১৬ সালে কেডিএ থেকে নকশার অনুমোদন নিয়ে ভবন দু’টি নির্মাণের কাজ শুরু করে। কিন্তু শুরু থেকেই প্রতিষ্ঠানটি অনুমোদিত নকশার তোয়াক্কা না করে যেনতেনভাবে ও তড়িঘড়ি করে অতিরিক্ত আরও একটি ফ্লোর নির্মাণ করে। যার ফলে ভবনটি দ্রুত ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে।

সূত্রে আরও জানা যায়, কেডিএ’র প্রকৌশলীরা পরিদর্শনে গিয়ে দেখতে পান ভবনের নকশায় গ্রেডবিম প্রদানের নির্দেশনা থাকলেও একটি তলায় কোনো গ্রেডবিম নেই। ভবনের কলামের পরিধিও কমিয়ে দেয়া হয়। যেনতেনভাবে ভবন নির্মাণ করে ফ্ল্যাট বিক্রি করার পরিকল্পনা ছিল ডেভেলপার কোম্পানির। গত জুন মাসে ভবনটি হেলে পড়লে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত ও অপসারণে দায়িত্বে নিয়োজিত কমিটি ভবনটি অপসারণের সুপারিশ করে।

কেডিএ’র অথরাইজড অফিসার মুজিবর রহমান বলেন, ভবনটি দক্ষিণ দিকে ১২ ইঞ্চি পরিমাণ হেলে গেছিল। ভবন নির্মাণ কাজের দায়িত্বে থাকা ‘অনিক রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড ডেভেলপার’ কোম্পানির লোকজন পালিয়ে গেছে। এজন্য কেসিসি’র নেতৃত্বাধীন ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত ও অপসারণ কমিটি কেডিএকে ভবনটি ঝুঁকিমুক্ত করতে অনুরোধ জানায়।

তিনি আরও বলেন, যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। এজন্য কেডিএ নিজ অর্থায়নে ভবন অপসারনের কাজে এগিয়ে আসে। বৃহস্পতিবার থেকে ভবনের ৬ষ্ঠ ও ৭ম তলা ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে। পরের ৫টি ফ্লোর গার্ল গাইডস অ্যাসোসিয়শনকে ভেঙ্গে ফেলার জন্য অনুরোধ জানানো হয়।

(ঊষার আলো-এমএনএস)