আফগানিস্তানের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে জনগণ, পর্যবেক্ষণে বাংলাদেশ

সর্বশেষ আপডেটঃ

ঊষার আলো ডেস্ক : বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলছেন, ‘বাংলাদেশ সবসময়েই জনতার পক্ষে। সে দেশের (আফগানিস্তানের) ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে সেই দেশের জনতা। ওই দেশের জনতা ওটা নির্ধারণ করলে এবং তারা যদি আমাদের থেকে সাহায্য সহযোগিতা চায়, নিশ্চয়ই আমরা সহায়তা করবো।’

তালেবান যদি সরকার গঠন করে, তাহলেও বাংলাদেশ সহায়তা করবে কিনা জানতে চাওয়া হলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন, ‘ওই দেশের মানুষের জনগণের ইচ্ছায় যারা আসবে, গণতান্ত্রিক উপায়ে, আমরা তাদের সবসময়েই গ্রহণ করি।’

এদিকে আফগানিস্তানে মানুষের পছন্দের যে সরকার গঠিত হবে তার বাস্তব দৃশ্যমান হওয়া পর্যন্ত দেশটির পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর সতর্ক পর্যবেক্ষণ রাখবে বাংলাদেশ- এমনটাই জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমও। সোমবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে মন্ত্রণালয়ের নিজ দপ্তরের এক প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আফগানিস্তানের সঙ্গে আমাদের সাংস্কৃতিক সম্পর্ক অত্যন্ত সুদৃঢ়। যদিও ভাতৃপ্রতিম ওই রাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কে সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা ভাটা পড়েছে। আমরা চাই আফগানিস্তানের জনগণের জানমালের ক্ষতি না হোক। সেখানে সক্রিয় সমস্ত রাজনৈতিক শক্তির প্রতি এটাই বাংলাদেশের আহ্বান।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আফগানিস্তানের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের ভয়ের কিছু নেই। তবে আমরা সতর্ক আছি এখানে উগ্রপন্থার উত্থান ঠেকাতে বাংলাদেশ সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করবে। আমরা এতে অত্যন্ত সফল হয়েছি, বিশেষ করে হলি আর্টিজানের ঘটনার পর।

এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আফগানিস্তানের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কাতার মধ্যস্থতার ভূমিকায় রয়েছে। সাম্প্রতিক সফরে কাতারে আমার কাউন্টার পার্টের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তিনি আমাকে আশ্বস্ত করেছেন, ২০ বছর আগের তালেবান আর আজকের তালেবান এক হবে না। সেই সময়ে তারা যে সমস্ত নীতি নিয়েছিল তার অনেক কিছুই আমাদের বাংলাদেশে বা অনেক দেশের মৌলিক নীতির সঙ্গে মিল ছিল না।

(ঊষার আলো-এমএনএস)