উৎকোচ ছাড়াই গ্রাম পুলিশ পদে নিয়োগ পেল ১২ যুবক

সর্বশেষ আপডেটঃ

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি : চাকুরি মানেই যেন সোনার হরিণ। সেটা হোক ছোট কিংবা বড়। সকল ক্ষেত্রেই প্রতিযোগিতার যেন কোন কমতি নেই। আর এক্ষেত্রে যদি কোন অনিয়ম কিংবা স্বজনপ্রীতি হয় তাহলে তো দুঃখের কোন সীমা থাকে না। বিশেষ করে অযোগ্যদের ভিড়ে ছিটকে পড়তে হয় প্রকৃত মেধাবীদের। চাকুরির বাজারের এমন পরিস্থিতির মধ্যে কোন তদবির কিংবা উৎকোচ ছাড়াই গ্রাম পুলিশ (মহল্লাদার) পদে নিয়োগ পেল পাইকগাছার বিভিন্ন এলাকার ১২ জন প্রশিক্ষিত যুবক।

স্থানীয় সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবু’র সার্বিক দিক-নির্দেশনায় ও জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদার এর সহযোগিতায় একটি স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ১২জন যুবককে নিয়োগ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী। নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ করতে ইউএনও’কে সহযোগিতা করেছেন উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু, ওসি এজাজ শফী, ইউপি চেয়ারম্যানবৃন্দসহ নিয়োগ সংক্রান্ত কমিটির অনেকেই। নিয়োগ প্রাপ্তদের মধ্যে অনেকেই অনার্স এবং অন্যান্যরা সর্বনিম্ন এসএসসি পাশ। অনেকের রয়েছে অস্ত্র ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ।

যারা নিয়োগ পেয়েছেন এরা হলেন, হরিঢালী ইউনিয়নের নোয়াকাটি গ্রামের হালিম গাজীর ছেলে নামজুল গাজী, কপিলমুনি ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের খালেক গাজীর ছেলে সিরাজুল ইসলাম ও নাসিরপুর গ্রামের ভবতোষ কুমারের ছেলে উজ্জ্বল কুমার দালাল, দেলুটি ইউনিয়নের তেলিখালী গ্রামের খোকন মল্লিকের ছেলে পার্থপ্রতীম মল্লিক, সোলাদানা ইউনিয়নের পাটকেলপোতা গ্রামের মনিরুল ইসলামের ছেলে তোরাব আলী, লস্কর ইউনিয়নের এরশাদ গাজীর ছেলে আবুল কালাম আজাদ ও আলমতলা গ্রামের ফরিদ উদ্দীন মোড়লের ছেলে ফয়সাল আহমেদ, গদাইপুর ইউনিয়নের বান্দিকাটী গ্রামের নছিম গাজীর ছেলে লিটন গাজী, চাঁদখালী ইউনিয়নের শাহপাড়া গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে বাদশা গাজী, গড়ইখালী ইউনিয়নের শান্তা গ্রামের গাউসুর রহমান বিশ্বাসের ছেলে তানভীর হোসাইন, আমিরপুর গ্রামের কুমারেশ মন্ডলের ছেলে অমিত মন্ডল ও বগুলারচক গ্রামের আব্দুল খলিল গাজীর ছেলে মতিউর রহমান।

এই স্বচ্ছ নিয়োগের মাধ্যমে দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জিরো টলারেন্স নীতির প্রতিফলন ঘটেছে বলে মন্তব্য করছেন সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবু ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী।

(ঊষার আলো-এমএনএস)