কঠোর লকডাউন আর বৃষ্টিতে ফাঁকা নগরী

সর্বশেষ আপডেটঃ

ঊষার আলো প্রতিবেদক : খুলনায় লাফিয়ে-লাফিয়ে করোনা সংক্রমন বৃদ্ধিসহ মৃত্যুর হার বেড়ে যাওয়া দরুন মহানগরীসহ দেশের সার্বিক করোনা সংক্রমনের পরিস্থিতি উর্দ্ধমূখি হওয়ার দরুন ১ জুলাই হতে সারাদেশ ব্যাপি সরকার ঘোষিত ৭ দিনের সর্বাত্বক কঠোর লকডাউনের চলছে। তবে রবিবার (৪ জুলাই) দুপুর হতে কঠোর লকডাউনের চতুর্থ দিনের বৃষ্টি আর লকডাউন বাস্তবায়নে মহাসড়কে প্রশাসনের শক্ত অবস্থানে থাকলেও যানবাহন এবং মানুষজনের চলাচল ছিল কম।
নগরীর দৌলতপুরস্থ, দৌলতপুর বাজার সম্মুখ, ট্রাফিক মোড়, বিএল কলেজ সংলঘ্ন, নতুনরাস্তা, কবির বটতলা, ট্যাংকটরী মোড়, উত্তর কাশিপুর, মুহসীন মোড়, কুলিবাগান, পালপাড়া, রেলিগেট, কালিবাড়ী, মানিকতলাসহ দৌলতপুরের অধিকাংশ এলাকার বেশিরভাগ দোকানপাটই বন্ধ ছিল। তবে লকডাউনের প্রজ্ঞাপনুসারে দৌলতপুরের শামিম হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট, নান্না বিরানী, হাজী বিরানী, ঢাকা বিরানী হাউজ, মাতৃ মিষ্টান্ন ভান্ডার, পশুপতি ঘোষ ডেয়ারী, দৌলতপুর ডেয়ারী, অনলাইন ডেলিভারী বেক ডি’ কেক সহ খাবারের হোটেল রেস্টুরেন্ট গুলো কেবলমাত্র পার্সেল আকারে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিক্রি করছে। এছাড়া অন্যান্য জরুরী সেবা বা নিত্যপ্রয়োজনীয় দোকানগুলো খোলা থাকলেও বৃষ্টির কারনে সেগুলোর অধিকাংশই ছিল ক্রেতাশূণ্য, নামে মাত্র খুলে বসে থাকা। লকডাউনের শুরু হতে নানা অজুহাতে ব্যক্তিগত গাড়ি, ইজ্ঞিনচালিত যানবহনে চলাচল করেছে এবং বিনা প্রয়োজনে সড়কে বের হয়েছে তারাও লকডাউন কঠোর বাস্তবায়নে দৌলতপুর থানাধীন এলাকার নতুনরাস্তা, ট্রাফিক মোড়, মানিকতলা মাইলপোষ্ট, কবির বটতলা, নগরঘাট, রেলিগেট, কৃষি কলেজ, চেকপোষ্ট মুখে পড়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদে বাইরে বের হওয়ার উপযুক্ত কারণ দেখাতে না পারলে ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে। আবার অপ্রয়োজনে বাইরে আড্ডায় বের হলে লকডাউনের বিধি নিষেধ অমান্যকারীর বিরুদ্ধে নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ,নিয়ন্ত্রন ও নির্মুল) আইন , ২০১৮’ এবং দন্ডবিধি, ১৮৬০ এর সংশ্লিষ্ট ধারার স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করার অপরাধে জরিমানার টাকা গুনতে হবে।
গত ১ জুলাই বৃহস্পতিবার হতে সারাদেশে শুরু হয়েছে এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউন। এই সময় বন্ধ রাখা হয়েছে সরকারি-বেসরকারি অফিস, সড়কে অপ্রয়োজনীয় চলাচল নিয়ন্ত্রন সহ স্বাস্থ্যবিধি মান্য কঠোর অবস্থানে রয়েছে দৌলতপুর থানা পুলিশ, গোয়েন্দা, সেনাবাহিনী, বিজিবিসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সদস্যরা। তবে নগরীর দৌলতপুরে চিত্র ভিন্ন। অনেকটাই চোর-পুলিশ খেলা। প্রশাসনের সদস্যরা সরে গেলেই, আবার একই পরিবেশ। সমগ্র বাজারসহ পাড়া-মহল্লায় জনসমাগম আর সামাজিক দূরত্বের বালাই থাকছেনা। দেশব্যাপী চলমান লকাডাউনেও রবিবার দুপুরে বৃষ্টির কারণে সকালের দিকে খুলনা-যশোর মহাসড়ক, দৌলতপুর বাজার এবং সমগ্র এলাকার পাড়া-মহল্লার আড্ডা কিছুটা ভীড় কম লক্ষ্য করা যায়।
(ঊষার আলো-এমএনএস)