করোনা টেস্টের টাকা আত্মসাতকারী প্রকাশের বিরুদ্ধে থানায় জিডি

সর্বশেষ আপডেটঃ

ঊষার আলো রিপোর্ট : খুলনা জেনারেল হাসপাতালের টেকনোলজিস্ট প্রকাশ কুমার দাসের সন্ধান মেলেনি এখন পর্যন্ত। সোমবার রাতে করোনা টেস্টের আড়াই কোটি টাকা আত্মসাত করে উধাও হওয়ার বিষয়ে খুলনা থানায় সাধারণ ডায়েরী ও দুদকে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন খুলনার সিভিল সার্জন নিয়াজ মোহাম্মদ। এছাড়াও প্রকাশ কুমার যেন পালিয়ে যেতে না পারে সে জন্য পুলিশ কমিশনারকে অনুরোধ করেছেন তিনি।

সিভিল সার্জন জানান, প্রকাশকে হাসপাতালে আসার জন্য তার ঠিকানায় চিঠি পাঠানো হয়েছে। তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তার সন্ধান মেলেনি। তিনি খুলনা থানায় জিডি ও দুদকে অভিযোগ করেছেন। এরপরে খুলনা মেট্রোপলিটন কমিশনারের সাথে দেখা করে প্রকাশ যেন পালিয়ে যেতে না পারে সে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য অনুরোধ করেছেন।

সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসান আল মামুন জানান, রাত সাড়ে ১১টায় প্রকাশের বিরুদ্ধে খুলনা থানায় জিডি করেছেন খুলনা সিভিল সার্জন। যার নং ১৬০১। সেখানে করোনা টেস্টের ২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ করায় প্রকাশকে অভিযুক্ত করা হয়। সকালেই জিডির বিষয়টি দুদককে জানানো হয়।

দুদক খুলনার উপ-পরিচালক নাজমুল হাসান জানান, জেনারেল হাসপাতালের ২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা আত্মসাতের বিষয়টি অবহিত হয়েছি। অভিযোগটি ঢাকা অফিসকে জানানো হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ এলেই ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

জিডি সূত্রে জানা যায়, পলাতক প্রকাশ কুমার দাস যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার এগারোখান ঘোড়ানাচ এলাকার মৃত সুরেন্দ্রনাথ দাসের ছেলে। সে খুলনার মুজগুন্নী আবাসিকের ১০নং রোডের ১২৮নং বাড়িতে থাকত। তবে সেই ঠিকানায় গিয়ে জানা যায়, সে ৫ বছর আগে বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছে। তার স্ত্রী মাধবী রানী দাস শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের একজন ফার্মাসিস্ট।

(ঊষার আলো-এমএনএস)