কেশবপুরে টিকার রেজিস্ট্রেশনের পর মেসেজের অপেক্ষায় প্রায় ৬০ হাজার মানুষ

সর্বশেষ আপডেটঃ

পরেশ দেবনাথ, কেশবপুর : যশোরের কেশবপুর উপজেলায় প্রায় ৬০ হাজার মানুষ কোভিড-১৯ টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন করে মেসেজের অপেক্ষায় মোবাইলের দিকে তাকিয় আছেন।

শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত ৮৯ হাজার মানুষ রেজিস্ট্রেশন করেছেন। এরমধ্যে প্রথম ডোজ পেয়েছেন ২৮ হাজার ৮৮৩ জন। সরবরাহ কম থাকায় প্রতিদিন রেজিস্ট্রেশন করা নির্দিষ্টসংখ্যক গ্রহীতাকে টিকা দেয়ায় এ কার্যক্রম ধীরগতিতে চলছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি এ উপজেলায় প্রথম ডোজের টিকা দেয়া শুরু হয়। দ্বিতীয় ডোজ দেয়া শুরু হয় ৮ এপ্রিল থেকে। করোনা ভাইরাসের টিকা নিতে শনিবার পর্যন্ত ৮৮ হাজার ৯২৬ জন নিবন্ধন করেছেন। এরমধ্যে অক্সফোর্ড- অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড ও সিনোফার্মের প্রথম ডোজের টিকা নিয়েছেন ২৮ হাজার ৮৮৩ জন। তাদের মধ্যে দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেয়া হয়েছে ১৯ হাজার ৯২১ জনকে। অর্থাৎ ১৯ হাজার ৯২১ জনকে টিকা দেয়া সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার ২৮৩ জন নিবন্ধনকারীকে টিকা দেয়া হয়েছে। লম্বা লাইনে দাঁড়িয়েও অনেকে টিকা নিতে না পেরে ফিরে গেছেন বাড়িতে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোববার টিকা নিতে আসা চুয়াডাঙ্গা গ্রামের আজহারুল বিশ্বাস, আসাফুর রহমান বিশ্বাস, মইনুল হাসান শেখ বলেন, দেড় মাস আগে নিবন্ধন করে একাধিকবার হাসপাতালে এলেও মেসেজ না আসায় টিকা নেয়া হয়নি। কবে যে মেসেজ আসবে বুঝতে পারছি না।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, টিকা কিছুদিন ছিল না। গত বুধবার কিছু টিকা এসেছে। বর্তমানে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪ হাজার ৫২০ ডোজ টিকা মজুদ রয়েছে। রেজিস্ট্রেশন করেছেন এমন ব্যক্তিদের ক্রমান্বয়ে টিকা দেয়া হচ্ছে। সকলকে টিকা দেওয়া হবে।

যশোরের সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহীন বলেন, কেশবপুরে রেজিস্ট্রেশনের ভাগ বেশি। স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে এ উপজেলার মানুষ খুব সচেতন। যেসব বয়স্ক, শিক্ষক, গণমাধ্যম ও স্বাস্থ্যকর্মী এবং শিক্ষার্থীরা রেজিস্ট্রেশন করে এখনো টিকা দিতে পারেননি, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগাযোগ করলে তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেয়া হবে।

(ঊষার আলো-এমএনএস)