কেশবপুরে তালের বীজ রোপণ কার্যক্রম শুরু

সর্বশেষ আপডেটঃ

পরেশ দেবনাথ, কেশবপুর : প্রাকৃতিক ভারসাম্য ও বজ্রপাতের হাত থেকে রক্ষা পেতে কেশবপুর উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১৪ হাজার তালের চারা রোপন কার্যক্রমের উদ্বোধন ও পরবর্তী ব্যবস্থাপনা শীর্ষক মাঠ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পৌরশহরের আবু শারাফ সাদেক অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, কেশবপুরের সংসদ সদস্য শাহীন চাকলাদার। অনুষ্ঠানে ১৫ হাজার ফলজ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষনা ইন্সটিটিউটের আয়োজনে তালের চারা রোপন ও পরবর্তী ব্যবস্থাপনা শীর্ষক মাঠ দিবসের আলোচনা সভায় বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষনা ইনিস্টিউটের (বি এস আর আই) মহাপরিচালক ড. মোঃ আমজাদ হোসেন সভাপতিত্ব করেন।

কেশবপুর উপজেলার কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক রমেশ দত্তের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষনা ইনিস্টিউটের (বি এস আর আই) গবেষনা পরিচালক ড. সমজিৎ কুমার পাল, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ আবু তাহের সোহেল, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম এম আরাফাত হোসেন, কেশবপুর পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলাম মোড়ল, উপজেলা কৃষি অফিসার ঋতুরাজ সরকার, যশোর জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট মোশারাফ হোসেন, যশোর জেলা কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম রুহুল আমিন, উপজেলার কৃষক লীগের সভাপতি সৈয়দ নাহিদ হাসান ও সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি প্রমুখ।

আলোচনা শেষে উপজেলার বিভিন্ন রাস্তার দু’পাশে ও কেশবপুর পাইলট স্কুল এ্যান্ড কলেজ মাঠের পাশে তালের চারা রোপন কাজ উদ্বোধন করেন, প্রধান অতিথি শাহীন চাকলাদার এমপি। এসময় স্থানীয় গনমান্য ব্যাক্তিবর্গসহ বিভিন্ন পেশার মানুষের মাঝে তালের চারা বিতরণ করা হয়।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, তাল গাছ অনেক উঁচু হওয়ায় বজ্রাঘাত ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতি নিরসনে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এছাড়া মাটির ক্ষয় রোধ, প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় তালগাছের জুড়ি নেই।
শুধু তাই নয়,ঘরের খুঁটির, আড়ার জন্য এমনকি হাতপাখা তৈরিতে তালগাছ দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার হয়ে আসছে। তাল পাতার পাখা আমাদের গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যের একটি অংশ। তবে বর্তমানে তাল গাছের সংখ্যা ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছে। এমন উপকারী একটি গাছের বৃদ্ধি ও সংরক্ষণে আপনার বাসায় পড়ে থাকা তালের বীজ বাড়ির আঙিনায় কিংবা আশে-পাশের পরিত্যক্ত জমিতে রোপণ করার অনুরোধ করেন বক্তারা।

(ঊষার আলো-এমএনএস)