খালিশপুরের মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গাজীপুর থেকে গ্রেফতার

সর্বশেষ আপডেটঃ

ঊষার আলো রিপোর্ট : খালিশপুর থানার চাঞ্চল্যকর কাজী তাসফিন হোসেন তয়ন (৩২) হত্যা মামলায় মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মো. জাকিরকে গ্রেফতার করেছে দৌলতপুর থানা পুলিশ। বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় ঢাকার গাজীপুরের জয়দেবপুর চাপেলিয়া এলাকা থেকে ফাঁসির দন্ডাদেশপ্রাপ্ত পলাতক আসামি জাকিরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সে তয়ন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৪নং পলাতক আসামি। জাকির খালিশপুর থানাধীন বয়রা আজিজের মোড় এলাকার মোঃ সোহরাব বাবুর্চির ছেলে।

খুলনার ডিসি নর্থ মোল্লা জাহাঙ্গীর হোসেনের নির্দেশনায় দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলামের সহযোগীতায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে ৬ সদস্যর একটি টিম ও গাজীপুর সদর থানা পুলিশের সহযোগিতায় বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় ঢাকার গাজীপুরের জয়দেবপুর চাপেলিয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় একটি ভাড়া করা বাসা থেকে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামী মো. জাকিরকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই মিজানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি আরও বলেন, দণ্ডপ্রাপ্ত জাকির শুরু থেকেই পলাতক ছিলেন। গত ১ মাস যাবৎ মোবাইল ট্রাকিংয়ের মাধ্যমে জাকিরের অবস্থান নিশ্চিত করে তাকে ঐ এলাকা থেকে আটক করা হয়। সে ওই এলাকায় আত্মগোপনে থেকে ইজিবাইক চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছিলেন।

উল্লেখ্য, তয়ন হত্যা মামলায় ২০২০ সালের ৮ই মার্চ খুলনার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. নজরুল ইসলাম হাওলাদার ৫ আসামিকে মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছিলেন। পাশাপাশি প্রত্যেক আসামিকে ৫০ হাজার টাকা করে জরমানা করা হয়। কাজী তাসফিন হোসেন তয়ন ২০১৮ সালের ২৮ আগস্ট বিকেলে নিখোঁজ হলে তার বাবা কাজী ফেরদৌস হোসেন তোতা ওই বছর ৮ সেপ্টেম্বর খালিশপুর থানায় মামলা দায়ের করেন যার নং ১২। ওই মামলার পর খালিশপুর থানা পুলিশ মোবাইল ট্রাকিংয়ের মাধ্যমে সন্দেহজনক আসামি সাইফুল ইসলাম গাজীকে গ্রেফতার করে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সাইফুল স্বীকার করেন যে, তিনিসহ তার সহযোগিরা ২৮ আগস্ট রাত ৯ থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে তয়নকে হত্যা করে মরদেহ বয়রা পুলিশ লাইনের পশ্চিম পাশের মোস্তফা কামালের ডোবা জমির উত্তর পাশের কচুরিপনা ও হোগলা বনের মধ্যে চাপা দিয়ে রেখেছেন। সাইফুলের দেখানো মতে ওই ডোবা থেকে পিলার ও বাঁশের সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় তয়নের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

(ঊষার আলো-এমএনএস)