ঘরে-ঘরে সর্দি-জ্বরে শিশু আক্রান্তের হার বাড়ছে

সর্বশেষ আপডেটঃ

মোঃ আশিকুর রহমান : সম্প্রতি সময়ে কয়েক দফায় বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিন্মচাপ, লঘুচাপের কারণে প্রায় সপ্তাহ জুড়ে টানা ভারী বর্ষণ ও ব্রজপাতসহ ঝড়োয়া হাওয়া অব্যাহত আছেই। সপ্তাহ জুড়ে এমন বৈরী আবহাওয়া ও মৌসুম পরিবর্তনের কারণে শিশুদের মধ্যে দেখা নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কিউলাইটিস, শ্বাসকষ্ট। আর জ্বর, সর্দি, কাশি, ডায়েরিয়া তো লেগেই আছে। এমন আবহাওয়ার দরুন ঘরে ঘরে জ্বর-সর্দি-কাশিসহ ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে অধিকাংশ শিশু রোগ বিশেষজ্ঞরা।

মৌসুম পরিবর্তনের কারণে ভ্যাপসা গরম আর হঠাৎ হঠাৎ বৃষ্টি সহ মেঘলা আবহাওয়ার ন্যায় নগরীর দৌলতপুরে প্রায় প্রতিটি ঘরে ঘরে শিশু সহ প্রায় সকল বয়সের লোকেরা জ্বর, সর্দি, কাশি, শ্বাস কষ্টে ভুগছে। কয়েকদিন ধরে টানা জ্বর, কাশি হতে সুস্থতা বোধ না করায় অবশেষে শিশুরা ভর্তি হচ্ছে হাসপাতালে আর বয়স্করা মেডিসিন বিশেষজ্ঞদের দিখিয়ে এন্টিবায়োটিক খেয়ে অবশেষে সুস্থ হচ্ছেন। তবে অনেকেই নিকটস্থ ঔষুধ বিতান ঔষুধ খেয়ে সুস্থ হচ্ছেন।

সরেজমিনে দৌলতপুরস্থ শিশু বিশেষজ্ঞদের ব্যক্তিগত চেম্বার ঘুরে দেখা গেছে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা শিশুরা বর্তমান সময়ে জ্বর, সর্দি, কাশিসহ শ্বাসকষ্টের জন্যই চিকিৎসার জন্য আসছে।

বর্তমান সময়ে শিশু রোগের কারণ, বিস্তার ও প্রতিরোধের উপায়ে জানতে চাইলে গাজী মেডিকেল হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান সহঃ অধ্যাপক ডাঃ মোঃ বরকত আলী জানান, বর্তমানে আবহাওয়া বা মৌসুম পরিবর্তনের কারণে শিশুরা জ্বর-সর্দি-কাশি, নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কিউলাইটিস, শ্বাসকষ্ট ভুগছে। এ সময় আক্রান্ত শিশুদের অন্য সময়ের তুলনায় আরো বাড়তি যত্ন নেয়ার পাশাপাশি পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহনসহ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার প্রতি বাড়তি খেয়াল রাখতে হবে। কোন অবস্থাতেই নিজেদের খুশিমত অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ানো যাবে না। শিশুদের শ্বাস নিতে কষ্ট অনুভব করলে তাৎক্ষনিক চিকিৎসকের সরণাপন্ন বা নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে।

দৌলতপুর নতুন রাস্তা মোড়স্থ ডাঃ এস আরেফিনের চেম্বারে বাচ্চা নিয়ে আসা অভিভাবক নাসরিন আক্তার বকুল জানান, কয়েকদিন ধরে মেয়েটার কাশি বৃদ্ধি পেয়েছে, সেই সাথে জ্বরও আসছে। তাই ডাক্তারের নিকট এলাম।

অপরদিকে দৌলতপুরস্থ কাজী মেডিকেল হল, মোল্লা ফার্মেসী, লাকি মেডিকেল হল, হোসেন ফামের্সী গুলো ঘুরে জানা যায়, বর্তমানে ফার্মেসীতে শিশু রোগের এন্টিবায়োটিক, এন্টিহিস্টামিন, মন্টিলুকাস্ট, কিটোটোফেনসহ লিভোসালভিউটামল ওষুধের চাহিদা সহ নেবুলাইজেশন এর রোগী বৃদ্ধি পেয়েছে।

(ঊষার আলো-এমএনএস)