বড় হচ্ছে আকার; অর্জন ভাল

চলতি মাসেই কেসিসির ছয়শ’ কোটি টাকার বাজেট

সর্বশেষ আপডেটঃ
খুলনা নগর ভবন - সংগৃহিত

ঊষার আলো প্রতিবেদক : খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) চলতি ২০২১-২২ অর্থ বছরের জন্য ছয়শত কোটি টাকার বেশী প্রস্তাবিত বাজেট প্রস্তুত করা হয়েছে। যা গত অর্থ বছরের চেয়ে বাজেটের আকার বড় হচ্ছে। এরমধ্যে রাজস্ব খাত থেকে আয় ধরা হয়েছে ২০৯ কোটি টাকা। বাকি ৪০৩ কোটি টাকা আসবে সরকারি অনুদান, বিশেষ প্রকল্প বা দাতা সংস্থার অনুদান ও সমাপনী স্থিতি থেকে। এ ছাড়া বাজেটে রাজস্ব খাত থেকে ব্যয় ধরা হয়েছে ২০৯ কোটি টাকা। যা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, অফিস খরচ, স্বাস্থ্য ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন খাতে ব্যয় করা হবে।

গত ২০২০-২১ অর্থ বছরে বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫০৪ কোটি ৩১ লাখ ২২ হাজার টাকার টাকা। সংশোধিত বাজেটে এর আকার দাঁড়িয়েছে ৩৬৫ কোটি ৭২ লাখ টাকা। ঘাটতি হয়েছে ১৩৯ কোটি টাকা। লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হার ৮১ দশমিক ৪০ শতাংশ। যা গত অর্থ বছরের চেয়ে তুলনামূলকভাবে ভাল বলে মনে করছেন কেসিসির অর্থ ও সংস্থাপন বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও কাউন্সিলর শেখ মো. গাউসুল আজম। তিনি বলেন, গতবারের চেয়ে এবার করোনা সংকট বেশী প্রকট ছিল। তারপরও অর্জন গতবারের তুলনায় বেশী হয়েছে। এবার বাজেটে কনজারভেন্সী, স্বাস্থ্য, জলাবদ্ধতা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার ওপর জোর দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, মেয়র তালুকদার আঃ খালেক খুলনার আসার পর একটি সভা করে প্রস্তাবিত ও সংশোধিত বাজেট পাশ করা হবে। তারপর বাজেট ঘোষণা দিন তারিখ ঠিক করা হবে। সব কিছু ঠিক থাকলে চলতি মাসের শেষের দিকে বাজেট ঘোষণা হবে বলে তিনি আশাবাদী।
২০২০-২১ অর্থ বছরের বাজেট ঘোষণা করা হয় গত বছল ২৬ আগস্ট। এবারও তার চেয়ে ২/৪ দিন আগে বাজেট ঘোষিত হতে পারে। কারণ ইতোমধ্যে প্রস্তাবিত ও সংশোধিত বাজেট প্রায় চূড়ান্ত করা হয়েছে। তবে গত ২০১৯-২০ অর্থ বছরে বাজেটের চেয়ে প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ছোট। ওই বছরের প্রস্তাবিত বাজেট ছিল ৮৬৫ কোটি ৫৪ লাখ তিন হাজার টাকা।

গত ২০১৯-২০ অর্থ বছরে বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮৬৫ কোটি ৫৪ লাখ তিন হাজার টাকা। সংশোধিত বাজেটে এর আকার দাঁড়িয়েছে ৫৮২ কোটি ৭১ লাখ ৫৭ হাজার টাকা। লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হার ৬৭ দশমিক ৩২ শতাংশ।

চলতি বাজেটে যেসব খাতে ব্যয় বেশী ধরা হয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম স্বাস্থ্য খাত। এ খাতের জনস্বাস্থ্য বিভাগে গত অর্থ বছরে ব্যয় ধরা হয় ৪ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। সেখাতে এবার ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। কনজারভেন্সী বিভাগে গতবার ধরা হয় ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এবার ধরা হয়েছে ৩৩ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। এভাবে যেসব খাতকে এবার গুরুত্ব দেয়া হয়েছে সেসব খাতে ব্যয় বাড়ানো হয়েছে।

(ঊষার আলো-এমএনএস)