দুপচাঁচিয়ার কৃষকরা আশায় বুক বাঁধছেন

সর্বশেষ আপডেটঃ
56
0

ঊষার আলো ডেস্ক : জেলার দুপচাঁচিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সবুজ বোরো ধানে বের হয়েছে কচি শীষ। কচি শীষগুলি ক্রমশ: সোনালি রং ধারন করছে। সেই সোনালী শীষগুলি নিত্য হাওয়ায় দুলছে কৃষকের চোখে স্বপ্ন হয়ে। আর স্বপ্ন তাড়িত হয়ে কৃষক আশায় বাঁধছেন বুক।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বোরো ফসলের মাঠ ঘুরে দেখা যায়, কৃষকরা তাদের বোরো ফসল ঘরে তোলার জন্য ব্যস্ত রয়েছেন শেষ মূহূর্তের পরিচর্যায়। কেউ পোকামাকড় দমনে, কেউবা সেচ দিতে ব্যস্ত।
কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বোরো ধানের কচি শীষগুলি ঘামভেজা পরিশ্রমের প্রাপ্তি হিসাবে দেখা দেয়ায় তাদের হৃদয়ে সঞ্চারিত হচ্ছে ভিন্ন আমেজ। সেইসাথে আবহাওয়া অনুকূল থাকায় এবারে বোরো ধান আবাদে সুফল মিলেছে। তাছাড়া ভাল ফলনের পাশাপাশি বোরো ধানের ন্যায্য মূল্য পাবে বলেওআশায় বুক বাঁধছেন তারা।
আমশট্ট গ্রামের প্রান্তিক কৃষক নিবেশ চন্দ্র জানায়, ২০ থেকে ২৫ দিন পর থেকে পুরোদমে ফসল ঘরে তোলা শুরু হবে। প্রকৃতি সদয় হলে নির্বিঘ্নে ফসল ঘরে তুলতে পারবে কৃষকরা। শিলাবৃষ্টি বা বড় ধরনের ঝড় হলে কৃষকের মুখের হাসি ম্লান হয়ে যাবে। স্বল্প পুঁজিতে বর্গা নিয়ে জমি আবাদ করায় স্বপ্নের সাথে দুঃশ্চিন্তাও ঘুরপাক খাচ্ছে বলেও জানায় ওই প্রান্তিক কৃষক।
মাজিন্দা গ্রামের কৃষক তোজাম্মেল হোসেন জানায়, মাঝে মধ্যে নানামুখী সমস্যায় পড়তে হয় কৃষকদের। এবার যোগ হয়েছে করোনা ভাইরাসের ফলে দেশব্যাপী লকডাউন। লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধি হলে শ্রমিক সংকটে ফসল ঘরে তোলা নিয়ে বিপাকে পড়তে হবে কৃষকদের । তাছাড়া শ্রমিক জুটলেও শ্রমের মূল্য হবে লাগামহীন।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ সাজেদুল আলম বলেন, দুপচাঁচিয়া উপজেলা মূলত: কৃষি প্রধান এলাকা। কৃষকরা এই এলাকায় আগ্রহের সাথে আবাদ করে থাকে। এ পর্যন্ত প্রাকৃতিক দূর্যোগ না থাকায় বোরো ধান সজীবভাবে বেড়ে উঠেছে। বর্তমানে ধানের মূল্য ভাল থাকায় কৃষিকাজে কৃষকরা নিজেদের সন্তুষ্ট রাখতে পারছেন। কৃষিক্ষেত্রে শ্রমিক সংকট বিগত দু-তিন বছর যাবৎ ধরে দেখা দিচ্ছে। এ সংকট মোকাবেলায় কৃষকদেরই দলবেধেঁ পারস্পারিক সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, এবছরে ১২ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে।

(ঊষার আলো-এমএনএস)

+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ