দৌলতপুরে বেদের উৎপাতে অতিষ্ঠ সর্বমহল, প্রতিকারের দাবি

সর্বশেষ আপডেটঃ

ঊষার আলো প্রতিবেদক : অত্যন্ত দারিদ্র সীমার নীচে বসবাস করা বেদে সম্প্রদায়ের সদস্যরা বর্তমানে তাদের জীবন-জীবিকার তাগিদে নৌকা আর সমভূমি ছেড়ে শহরমুখী হয়ে পড়েছে। আর এরা শহরমুখী হওয়ার দরুন চরম বিপাকে আর দুর্ভোগ বেড়েছে পথচারীসহ নানা বিভিন্ন পেশার মানুষের। বর্তমান সময়ে নগরীর দৌলতপুর জুড়ে ব্যাপক আনাগোনা বেড়েছে এদের। বিশেষ করে দৌলতপুর বাজার এলাকায় সম্প্রতি এদের অতিষ্ঠে সাধারণ পথচারী, স্কুল-কলেজ ছাত্রছাত্রী, ব্যবসায়ী, চাকুরীজীবিসহ সাধারণ মানুষেরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।

সরেজমিনে দৌলতপুর বাজার সম্মুখ, কেসিসি মার্কেট, সেফ এন্ড সেইভ, বিএল কলেজ গেট, দৌলতপুরের বিভিন্ন ক্যাফে শপ, ফাস্ট ফুট দোকান, বাসস্ট্যান্ড, রেলওয়ে স্টেশনসহ ভরা জনসম্মুখে। একই সাথে রিকশা, ইজিবাইক, মাহেন্দ্র, যানজটে পড়া যানবহন গতি রোধ করে দাঁড়িয়ে এক কথায় চাঁদা আদায় করছে।

বুধবার (১ সেপ্টেম্বর) সাড়ে ১২ টায় দৌলতপুরস্থ শামিম হোটেল এন্ড রেস্টুডেন্ট চেকপোষ্টের সামনে দাঁড়িয়ে দায়িত্বপালন করছেন দৌলতপুর থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক মোঃ রবিউল ইসলাম। হঠাৎ তার দিকে দৌড়ে এলো বেদের সদস্যের উঠতি বয়সি এক তরুনী। ডিউটিরত এ অফিসারের সাথে তুই তুই করে কথা বলা সহ বড় অংকের টাকা দাবি করে। নাছড় বান্দা না দেয়া পর্যন্ত নির্ভয়ে আক্রমনাত্বক ব্যবহার।

এ ব্যাপারে দৌলতপুর বারিস্তা ক্যাফে শপের মালিক জানান, প্রায়ই হাউজের সামনে এসে বেদেরা ক্রেতাদের সাথে দারুন ঝামেলা করে। অনেক সময় এদের ভয়ে ক্রেতারা দোকানে আর না বসে বাধ্য হয়ে চলে যায়। এদের জন্য আমাদের ব্যবসার চরম ক্ষতি হচ্ছে। অচিরেই এই বেদে সম্প্রদায়ে পাশবিক নিযার্তন, ভোগান্তি আর হয়রানীর হাত হতে পরিত্রান চায় দৌলতপুরবাসীসহ সাধারন পথচারী, স্কুল-কলেজ ছাত্রছাত্রী, ব্যবসায়ী, চাকুরীজীবিসহ সাধারন মানুষ।

এ ব্যাপারে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ পূর্বক এদের ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জোরালো দাবি জানিয়েছে দৌলতপুরের সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গসহ সর্বস্তরের মানুষ।

(ঊষার আলো-এমএনএস)