নগর ছাত্রলীগের শোকসভায় এমডিএ বাবুল রানা

বঙ্গবন্ধু তার জীবন বিসর্জন দিয়ে বাঙালি জাতিকে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র উপহার দিয়ে গেছেন

সর্বশেষ আপডেটঃ

ঊষার আলো ডেস্ক : ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে শোকসভা করেছে খুলনা মহানগর ছাত্রলীগ। বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় নগরীর শঙ্খমার্কেটস্থ দলীয় কার্যালয়ে এ শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শোকসভা শুরু হয় এবং এর পরে ১ মিনিট দাঁড়িয়ে নিরবতা পালনের মাধ্যমে ১৫ আগস্টের শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। মহানগর ছাত্রলীগের শোকসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রনেতা এমডিএ বাবুল রানা। তিনি শোকাবহ আগস্ট নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বক্তব্য রাখেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন “বাঙালি জাতির জীবনে একটি শোকবাহ ও বেদনার দিন ১৫ আগস্ট। বঙ্গবন্ধু তার জীবন বিসর্জন দিয়ে বাঙালি জাতিকে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র উপহার দিয়ে গেছেন। তিনি তার কৈশর থেকে আমৃত্যু পর্যন্ত আন্দোলন সংগ্রাম ও বারবার কারাবরণ করে শোষিত নিপীড়িত পরাধীন একটি জাতিকে স্বাধীন ভুখন্ড উপহার দিয়েছিলেন। সদ্য স্বাধীন যুদ্ধবিধ্বস্থ দেশকে যখন নেতৃত্ব দিয়ে স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে এগিয়ে যাচ্ছিলেন ঠিক তখনই স্বাধীন বাংলাদেশের সূর্যকে অস্তমিত করার জন্য ৭১ এর পরাজিত শক্তি ও এদেশী ঘাতক দালালদের ষড়যন্ত্রে পৃথিবীর ইতিহাসে জঘন্যতম হত্যাকান্ডটি ঘটায়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ তার পরিবারের ১৮ জন সদস্যকে নির্মমভাবে হত্যা করে একদল বিপথগামী সেনাসদস্যরা। তারা ভেবে ছিলো বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে পারলে স্বাধীন বাংলাদেশকে একটি অকার্যকর রাষ্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে, কিন্তু আল্লাহর অশেষ রহমতে সেদিন পশ্চিম জার্মানিতে থাকার কারনে প্রাণে বেঁচে যান জাতির পিতার দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। ১৯৮১ সালে জীবনের মায়া ত্যাগ করে দেশ ও জাতিকে রক্ষা করতে স্বদেশে ফিরে আসেন জাতির পিতার কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা। এরপর বহু চড়াই উৎরাই ও ঘাতপ্রতিঘাত মোকাবেলা করে বাংলাদেশকে একটি সুখী-সমৃদ্ধ ও স্বয়ংসম্পূর্ন রাষ্ট্র হিসেবে পৃথিবীর বুকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি।

শোকসভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক ছাত্রনেতা অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, জামাল উদ্দীন বাচ্চু, এ্যাড মোঃ সাইফুল ইসলাম, আলী আকবর টিপু, অসিত বরণ বিশ্বাস, শেখ মোঃ ফারুখ হাসান হিটলু।

এছাড়াও আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা নূর ইসলাম বন্দ, মোঃ মুন্সি মাহাবুব আলম সোহাগ, মফিদুল ইসলাম টুটুল, এসএম আকিল উদ্দীন, একেএম শাহজাহান কচি, মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রাসেল এর পরিচালনায় শোকসভা উপস্থিত ছিলেন যুবলীগ নেতা মশিউর রহমান সুমন, মাসুম উর রশিদ, মহানগর ছাত্রলীগ নেতা সোহেল বিশ্বাস, তাজমুল হক তাজু, আসাদুজ্জামান বাবু, মাসুদ হোসেন সোহান, রণবীর বাড়ই সজল, এখতিয়ার মোল্লা, জব্বার আলী হীরা, জহির আব্বাস, জুবী ওয়ালিয়া টুই, ইয়াসিন আলী, মেহেদী হাসান মান্না, পাপ্পু সরকার, বোরহান উদ্দীন সজিব, দিদারুল আলম, সুমন শেখ, শরিফুল ইসলাম বাবু, মেহেদী হাসান সুজন, মাহামুদুল ইসলাম সুজন, খান মোসাদ্দেক হোসেন ইমন, শেখ শান্ত ইসলাম, শিকদার রাসেল, শেখ সাকিব, সোহান হোসেন শাওন, আরাফাত হোসেন মিয়া, রেজওয়ান মোড়ল, রনি রায়, নাইম সরদার, ইবনুল হাসান, মাহামুদুর রহমান রাজেস, আব্দুল কাদির সৈকত, তরিকুল ইসলাম তুফান, এমএ হোসেন সবুজ, মেহেদী হাসান স্বপন, বায়েজিদ সিনা, আহনাফ অর্পন, জোয়েব সিদ্দিকী, সাগর মিত্র চিন্ময়, সাইফুল ইসলাম, সাজু দাশ, জিহাদী হক জিসান, মশিউর রহমান বাদশা, আমিনুল ইসলাম শাওন, জুয়েল শেখ, শংকর কুন্ডু, ইমরান হোসেন বাবু, শাহ আরাফাত রাহিব, তৌহিদুল ইসলাম সানি, শরীফ জান্নাতুন টিকলী, মেহেদী হাসান সজিব, রবিউল ইসলাম প্রিন্স, সৈকত দাশ, ইসতিয়াক আহমেদ জয়, গালিব হোসেন, শেখ সাইফ সাদিক, শেখ সামি হোসেন, শাহরিয়ান নেওয়াজ রাব্বি, শাকিল খান, অভিজিৎ সরকার রাহুল, ওমর কামাল, সোহান সাদী, মামুনুর রহমান, নিশাত ফেরদৌস অনি, রুমান আহমেদ, আতিকুর রহমান সোহাগ, আলী হোসেন, শোভন হাওলাদার, মুরাদ হাওলাদার, সাইফুল ইসলাম মিরাজ, পল্লব হাসান শুভ, আবিদ আল হাসান, রাকিব আহমেদ রাব্বি, রায়হান শিকদার, সাজ্জাদ সাজু, হাসান শেখ, ইমতিয়াজ মুন্না, তানভীর ইসলাম সাব্বির প্রমুখ। শোকসভায় আমন্ত্রিত অতিথিদের মাঝে ১৫ আগস্টের উপর লেখা বই স্মারক হিসেবে প্রদান করা হয়। শোকসভা শেষে ১৫ আগস্টে নিহত সকল শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা রফিকুল ইসলাম।

(ঊষার আলো-এমএনএস)