বাগেরহাটে ফলন্ত কলাগাছের সাথে শত্রুতা, কৃষকের ৫ লাখ টাকার ক্ষতি

সর্বশেষ আপডেটঃ
কেটে ফেলা কলা - ঊষার আলো

আরিফুর রহমান, বাগেরহাট : বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলা পল্লীতে সোহাগ সরদার নামের একজন কলা চাষীর প্রায় ৩ বিঘা জমিতে থাকা ফলন্ত ও জীবন্ত কলাগাছ কেটে দিয়েছে শত্রুরা। রাতের আধারে কলা গাছ কেটে শত্রুতা করায় এলাকাবাসি খুবই হতবাক হয়েছে। শত শত কাদি কলা এবং জীবন্ত গাছ কেটে কৃষক সোহাগ সরদারের প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষতি করেছে। পরিবারের আয়ের একমাত্র অবলম্বন কলাচাষ, এখন এ কলাবাগান ধবংস হওয়ায় নিস্ব হয়ে পড়েছে সোহাগ সরদার।
বুধবার (১০ মার্চ) দিনগত রাতের যে কোন সময় মোড়েলগঞ্জ উপজেলার কামলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়রা এ ঘটনার সঠিক তদন্তপূর্বক জড়িতদের কঠোর শাস্তি দাবী করেছে।। ক্ষতিগ্রস্থ চাষী মোরেলগঞ্জ উপজেলার চিংড়াখালী গ্রামের সোহাগ সরদার জানান, পাশর্^বর্ত্তি কামলা গ্রামের সুজন শিকদারে জমি লিজ নিয়ে সে কলা চাষ করতেন। বছরে ৫০ হাজার টাকা জমি মালিক কে দিয়ে মাটি কাটা, কলা গাছ রোপন ও পরিচর্যায় প্রায় ৩ লাখ টাকা ব্যয় করেছি। ১৩শ গাছের মধ্যে প্রায় হাজার খানেক গাছে কলা হয়েছিল। আর ১৫দিন পরে বিক্রি শুরু করতে পারতাম। এমন সময় দৃবৃত্তরা কলা ও গাছ কেটে আমাকে শেষ করে দিয়ে গেল। সোহাগের কলা বাগানে কাজ করা শ্রমিক নয়ন কুমার হালদার ও হোসেন শেখ বলেন, আমরা প্রায়ই সোহাগ ভাইয়ের কলা বাগানে কাজ করতাম। বৃহস্পতিবার সকালে এসে দেখি কলা ক্ষেতের শতশত কাদি কলা কেটে ফেলে রেখে গেছে দূর্বৃত্তরা।
এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য লুৎফর রহমান সরদার বলেন, একটি গাছে কলা উৎপাদন করতে অনেক কষ্ট করতে হয়। এভাবে কলা কেটে ফেলার থেকে ক্ষেত মালিককে মেরে ফেলা ভাল। আামার এমন ক্ষতি হলে আমি মরে যেতাম। স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ শাহজাহান মাঝি বলেন এ এলাকার অধিকাংশ মানুষ কলা চাষ করে জীবনযাপন করেন। আমাদের এলাকার মানুষের কাছে বিক্রয়যোগ্য কলা সন্তানের মত। এভাবে একজন চাষীর ক্ষতি মেনে নেওয়া যায় না। সঠিক তদন্ত পূর্বক দুর্বৃত্তদের খুজে বের করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি। এ বিষয়ে মোড়েলগঞ্জ থানায় অভিযোগ দেয়া হবে বলে জানান কৃষক সোহাগ সরদার।