বাড়ি পৌঁছাচ্ছে বিনামূল্যে জন্মসনদ

সর্বশেষ আপডেটঃ

মোঃ মেহেদী হাসান, মণিরামপুর : মসজিদে ইমামতি করেন মনিরামপুরের স্বরণপুর গ্রামের আলমগীর হোসেন। গেল সপ্তাহের বৃহস্পতিবার আলমগীর-লাবনী দম্পতির কোল জুড়ে আসে ফুটফুটে একটি মেয়ে। গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে খবর পেয়ে ওই বাড়িতে অভিনন্দনপত্র নিয়ে হাজির হন রোহিতা ইউপি সচিব কৃষ্ণগোপাল মুখার্জি। সাথে একটি জন্মসনদের ফরম দিয়ে আসেন সচিব। বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) পরিষদে ফরম জমা দিয়ে মেয়ের জন্মসনদ পেয়েছেন আলমগীর। গত ৩১ আগষ্ট একই ইউনিয়নের সরসকাঠি গ্রামের দরজি আজহারুল-মিরা দম্পতির একটি কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। খবর পেয়ে সেখানেও অভিনন্দনপত্র ও ফরম পাঠান সচিব। বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আজহারুলের বাড়িতে পুরস্কারসহ জন্মসনদ পৌঁছে দেন সচিব।

শুধু আলমগীর বা আজহারুল না, গ্রাম পুলিশের আহবানে সাড়া দিয়ে সন্তানের জন্মসনদ বিনামূল্যে পেয়েছেন রোহিতা ইউনিয়নের ইব্রাহিম হোসেন ও আরিফুল ইসলাম। বিনা হয়রানিতে সন্তানের জন্মসনদ করাতে পেরে খুশি তারা।

ইউপি সচিব কৃষ্ণগোপাল বলেন, চলতি মাসের ১৫ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. হুসাইন শওকত জন্ম-মৃত্যুসনদ নিয়ে মনিরামপুর উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে এক মতবিনিময় সভা করেন। সেখানে জন্ম ও মৃত্যুসনদ প্রদানে আমাদের কিছু কৌশল শিখিয়ে দেন তিনি। কৌশলগুলো প্রয়োগ করে গ্রাম পুলিশদের নিজ নিজ এলাকায় পাঠাই।

সচিব বলেন, সব গ্রাম পুলিশের হাতে রেজিস্টার খাতা দিয়েছি। তারা ইউনিয়নে জন্ম নেয়া এক বছরের কম বয়সী শিশুদের তালিকা নিয়ে আসেন। জন্মসনদের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে অভিভাবকদের উৎসাহিত করেন তারা। এখন সন্তানের জন্মসনদ গ্রহণে আগ্রহী হচ্ছেন অনেকে।

কৃষ্ণগোপাল আরও বলেন, শিশু জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্মসনদ গ্রহণে কোন খরচ লাগে না। আমরা সদ্য জন্ম নেয়া চার শিশুর পরিবারকে অভিনন্দনপত্র ও সাথে জন্মসনদের ফরম পাঠিয়েছি। ইতিমধ্যে তারা জন্মসনদ গ্রহণ করেছেন।

(ঊষার আলো-এমএনএস)