বিশ্বসেরা গবেষকের তালিকায় কুয়েটের ৩৪ শিক্ষক

সর্বশেষ আপডেটঃ

ঊষার আলো রিপোর্ট : বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এর বিভিন্ন বিভাগের ৩৪ জন শিক্ষক মর্যাদাপূর্ণ স্থান করে নিয়েছেন এ বছর। বিশ্বসেরা গবেষকদের নিয়ে প্রকাশিত এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স-এ স্থান পেয়েছেন তারা।

স্থান পাওয়া শিক্ষকরা হলেন প্রফেসর ড. মহিউদ্দিন আহমাদ, প্রফেসর ড. মোস্তফা জামান চৌধুরী, প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল্লাহ ইলিয়াছ আক্তার, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর, প্রফেসর ড. মোঃ আমিনুল হক আকন্দ, মোঃ মিলন ইসলাম, ড. মোঃ ইলিয়াস উদ্দিন, প্রফেসর ড. এম এম এ হাসেম, ড. নরোত্তম কুমার রায়, প্রফেসর ড. কাজী হামিদুল বারী, ড. মোঃ হাবিবুর রহমান সবুজ, প্রফেসর ড. পল্লব কুমার চৌধুরী, ড. এ বি এম মামুন জামাল, প্রফেসর ড. আশরাফুল গণি ভূঁইয়া, প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী মোল্লা, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাছুদ, প্রফেসর ড. কে এম আজহারুল হাসান, প্রফেসর ড. মনির হোসেন, ড. মোঃ আবুল হাসেম, প্রফেসর ড. সজল কুমার অধিকারী, প্রফেসর ড. মোঃ মোস্তফা সারোয়ার, প্রফেসর ড. মোঃ সিরাজুল ইসলাম, প্রফেসর ড. সোবহান মিয়া, ড. মোঃ আরাফাত হোসেন, প্রফেসর ড. মুহাঃ রফিকুল ইসলাম, প্রফেসর ড. কাজী মোঃ রকিবুল আলম, প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুব আলম, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শেখ সাদী, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবদুল জলিল, প্রফেসর ড. মোঃ রফিকুল ইসলাম, প্রফেসর ড. শিবেন্দ্র শেখর শিকদার, ড. মুহাম্মাদ মুঈনুল ইসলাম, ড. মোঃ হাবিবুল্লাহ, প্রফেসর ড. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।

আন্তর্জাতিক খ্যাতনামা সংস্থা এডি সাইন্টিফিক ইনডেক্স সারা বিশ্বের ২০৬ দেশের ১৩ হাজার ৫শ’৩৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত লক্ষাধিক বিজ্ঞানীর সাইটেশান এবং অন্যান্য ইনডেক্সের ভিত্তিতে ১২টি ক্যাটাগরিতে এই র‌্যাংকিং এর তালিকা প্রকাশ করেছে। এই র‌্যাংকিং করার ক্ষেত্রে বিশ্বের ৭ লাখ ৮ হাজার ৯শ’ ৫৭ জন গবেষকদের গুগল স্কলারের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে চলতি বছরসহ গত ৫ বছরের সাইটেশন আমলে নেয়া হয়।

এ বিষয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এর মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, এই অর্জন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে গবেষণায় অনুপ্রেরণা যোগাবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেবে। কুয়েটকে বিশ্বমানে উন্নীত করা এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান তৈরিতে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের নিরন্তরভাবে গবেষণার মাধ্যমে দেশের কল্যাণে দিকনির্দেশনা প্রদান ও নতুন নতুন উদ্ভাবনের আহবান জানান।

(ঊষার আলো-এমএনএস)