ভ্যাপসা গরমে ভারী বর্ষণ, স্বস্তিতেও দুর্ভোগ

সর্বশেষ আপডেটঃ

ঊষার আলো প্রতিবেদক : চলছে আশ্বিন মাসের মাঝামাঝি। সম্প্রতি অনেকটাই গ্রীষ্মের মতো গরমের অনুভূত হয়। অনুভূত এই গরমের জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। এই কয়েকদিনে টানা ভ্যাপসা গরম দৌলতপুরবাসী অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়ে। চলতি মাসে সমুদ্রসৃষ্ট গভীর নিন্মচাপ, লঘুচাপের কারণে সৃষ্ট দমকা হওয়াসহ ভারী বর্ষণ হলেও গরম কমেনি।

আবহাওয়া অফিস সূত্র জানিয়েছে, উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি পশ্চিমবঙ্গ উপকূল এলাকায় একটি লঘুচাপ চলছে। মৌসুমি বায়ূ সক্রিয় থাকায় প্রবল বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। গভীর নিন্মচাপটি ক্রমশ দুর্বল হয়ে উত্তর প্রদেশ ও দক্ষিণ উড়িষ্যায় অবস্থানরত নিন্মচাপটি ক্রমশ দূর্বল হয়ে পড়ছে। গভীর নিন্মচাপের ফলে নগরীর দৌলতপুরসহ আশপাশের এলাকায় সকাল হতে আকাশে কালো মেঘসহ ভারী বর্ষণ বইতে থাকে।

বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর হতে দেড় ঘন্টার টানা বৃষ্টি কয়েকদিনের ভ্যাপসা গরম কাটিয়ে তুললেও সামায়িক দূর্ভোগ সৃষ্টি করে। বৃষ্টি কারণে প্রকৃতি ঠান্ডা হয়ে যায়। নামে ভ্যাপসা গরমে স্বস্তির বৃষ্টি। এক পসরা বৃষ্টি প্রকৃতিতে করেছে শীতল। স্বস্তি মিলেছে ঠিকই কিন্তু ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে সর্বমহলকে। ভারী বর্ষনের কারণে খুলনা-যশোর মহাসড়কের যানবহন চলাচল কমে যায়। তবে বর্ষাকে ভয় পেয়ে হাতে ছাতা নিয়ে ছুটে চলছেও ভারী বর্ষণ অনেকেই ভিজিয়ে দিয়েছে।

ভারী বৃষ্টির কারণে দীর্ঘক্ষন চায়ের দোকান, চালের নিচে, কোন শপিংমলের সামনে, ছোট বড় ছাপড়ার নীচে অনেকেই আটকে থাকে দীর্ঘক্ষন। ভারী বৃষ্টির বিভিন্ন এলাকাসহ বাজার এলাকায় সংর্কীন ড্রেন, উঁচু-নিচু রাস্তা, খানাখন্দে বেহাল রাস্তায় হাটু সমান পানি জমে। বাজারে আসা ক্রেতাদের ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে চরমে। ভারী বর্ষনে বিক্রয় ক্রেতা কম থাকায় সকল বিক্রেতারা ঝিমিয়ে পড়ে। বসে থাকে নিথর হয়ে।

এ ব্যাপারে খুলনা আবহাওয়াবিদ আমিরুল আজাদ জানান, সমুদ্র সৃষ্ট গভীর নিন্মচাপ ও মোসুমী বায়ূ সক্রিয় থাকার দরুন দমকা হওয়া সহ মাঝারী থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে এবং কয়েকদিন বৃষ্টি থাকার সম্ভবণা রয়েছে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

(ঊষার আলো-এমএনএস)