মশার কামড়ে ডেঙ্গু আতংক সর্বমহলে

সর্বশেষ আপডেটঃ

মোঃ আশিকুর রহমান : ঋতু বদলের পালায় বর্ষাকাল না হলেও কয়েকদিনের টানা থেকে-থেকে বর্ষা ছোট-ছোট খানাখন্দে জমা থাকা জলবদ্ধতা আর মশার কামড় বাড়িয়ে তুলছে ডেঙ্গু আতংক। বৃষ্টিপাতের কারণে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে ভয়াবহভাবে মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু, যা এডিস মশা বহনকারী। বৃষ্টির কারণে আবহাওয়া আর্দ্রতা কম থাকে। বর্ষাকালে পানিবাহিত এবং মশাবাহিত রোগের প্রকোপ বেড়ে যায়। তাছাড়া সম্প্রতি সময়ে সকাল নেই, সন্ধ্যা নেই, রাত নেই মশা কামড়েই চলছে।

নগরীর দৌলতপুরের অধিকাংশ এলাকায় অপরিচ্ছন্ন ড্রেন, ময়লার স্তুপ, ঝোপঝাড়, রাস্তার পাশে থাকা ডাস্টবিন, ছোট-বড় ময়লার স্তুপ, পরিত্যাক্ত পলিথিনসহ বিবিধ যেখানে কোটি কোটি মশার লার্ভা জন্ম নিচ্ছে। সম্প্রতি সময়ে বেশ ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। যে কারণে এলাকার পঁচা-নর্দমা আর বর্ষায় জমা খানাখন্দের পানি, সংকীর্ণ ড্রেনের জলবদ্ধতা জমা থাকা পানি আর মশার কামড় সাধারণ মানুষের মাঝে বহুগুন বাড়িয়ে তুলেছে ডেঙ্গু আতংক। যদিও ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে কেসিসি’র বিভিন্ন কার্যক্রম অব্যহত হয়েছে।

চায়ের দোকানদার জামাল জানান, সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে ভয়ঙ্কর মশার উপদ্রব হয়। চায়ের দোকানে দাঁড়িয়ে কেনাবেচা করা যায় না। তাছাড়া কাস্টমার মশার কামড়ে দোকানে বসতে চাইনা। কল্পতরু বাউন্ডারী রোডের বাসিন্দা

লিটন জানান, ঘরে মশার কয়েল জ্বালিয়ে কাজ হচ্ছে না। আরও আছে এলাকার বাসিন্দারা ময়লা সরাসরি ড্রেনে ফেলার কারণে ড্রেন নোংরা হওয়ায় মশা রাজত্ব শুরু করেছে।

কেসিসি’র বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগে সূত্রে জানা গেছে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রতিরোধে কেসিসি’র নিয়মিত কার্যক্রম অব্যহত আছে। পাশাপাশি মশা নিধনে লার্ভিসাইজ স্প্রে করা হচ্ছে। তাছাড়া বাসা বাড়ীর সংকীর্ণ ড্রেনগুলোতেও স্প্রে করা হচ্ছে এ বিভাগের পক্ষ হতে।

এ ব্যাপারে ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, বর্ষাকাল না হলেও যেহেতু সম্প্রতি সময়ে ডেঙ্গুর শনাক্তের হার বেড়েছে তাই সকলকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতন থাকতে হবে।

(ঊষার আলো-এমএনএস)