৮০ লাখের ভবন গোপনে ২২ লাখ টাকায় বিক্রি

মহাপরিচালকসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ

সর্বশেষ আপডেটঃ

শেখ বদর উদ্দিন : খুলনা কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে গত ৩০ সেপ্টেম্বর টেন্ডার স্টোরে রক্ষিত সরকারি মেশিনপত্র ও অন্যান্য লৌহজাত মালামালের টেন্ডার হয়। উক্ত টেন্ডারে সকল নিয়মনীতি উপেক্ষা করা টেন্ডার কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে এমন অভিযোগে এনে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো মহাপরিচালক, বৈদাশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয়ের সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে জেলা ঠিকাদারবৃন্দ।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো উপ-পরিচালক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন বেআইনিভাবে সরকারি সকল নিয়মনীতি উপেক্ষা করে জাতীয় পত্রিকা ও স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশ না করে নিজের পছন্দের ঠিকাদারদের ৬০ লক্ষাধীক টাকার মালামাল ১০ লাখ ৬০ হাজার টাকায় পাইয়ে দিয়েছে। এছাড়া ইতিপূর্বেও খুলনা কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খুলনার মূলভবনসহ প্রায় ৮/১০টি আবাসিকভবন যার আনুমানিক মূল্য ৭০ থেকে ৮০ লক্ষ টাকা। সরকারি নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে গোপনীয়ভাবে ২২ লক্ষ টাকায় বিক্রি করা হয়। এতে সরকার প্রায় অর্ধকোটি টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী একটি দুর্নীতিমুক্ত দেশ করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। ঠিক সেই মুহুর্তে কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা সরকারের লক্ষ-লক্ষ টাকা রাজস্ব বঞ্চিত করে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের কাজে লিপ্ত রয়েছে। নিয়মনীতি না মেনে স্টোরে রক্ষিত সরকারি মেশিনপত্র ও অন্যান্য লৌহজাত মালামাল ৩০ সেপ্টেম্বর নিলাম বিজ্ঞপ্তিসহ পূর্বের যেসব পুরাতন ভবন স্বল্পমূল্যে নিলামে বিক্রয় হয়েছে সকল টেন্ডার বাতিল করে সঠিক ও স্বচ্ছ সরকারি নিয়মনীতি অনুসারে দরপাত্র আহবান করে সরকারের সঠিক রাজস্ব আদায়ের ব্যাবস্থা গ্রহণ করার জোর দাবি জানানো হয় লিখিত অভিযোগে।

(ঊষার আলো-এমএনএস)