যশোরে ভাটার মাটিতে পাকা রাস্তায় কাঁদা

সর্বশেষ আপডেটঃ

যশোর প্রতিনিধি : ছবিটি দেখে যে কেউ মনে করতে পারেন বর্ষার পানিতে মাটির রাস্তায় কর্দমুক্ত অবস্থা। কিন্তু বাস্তবে তা নয়। ইটভাটার মাটি বহন করার ফলে অল্প বর্ষাতেই পাকারাস্তায় এই অবস্থা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে এই রাস্তা দিয়ে চলাচলে মানুষের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলায় শংকরপুর ইউনিয়নের বড় পোদাউলিয়া গ্রাম। গত কয়েকমাস ধরে গ্রামের এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন মাটি ব্যবসায়ীদের ১৫/২০টি ট্রাকটর চলেছে। প্রশাসনের কাছে একাধিবার অভিযোগ করেছে স্থানীয়রা। পুলিশ এসে চাবি নিয়ে গেলে কিছু সময়ের জন্য ট্রাক্টরের চলাচল বন্ধ থাকে। পরে আবার চলে। গত তিন দিন অল্প অল্প করে বছরের প্রথম বৃষ্টিতে জনমনে স্তস্তি ফিরে এলেও চলাচলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে গ্রামাঞ্চলের মানুষ। বড় পোদাউলিয়া টু বাগআঁচড়া সড়ক, বাঁকড়া টু হাড়িখালী, বাঁকড়া টু খোরদো, বাঁকড়া টু কলারোয়া, সাদিপুর টু দিঘড়ী, দিঘড়ী টু ইস্তা, শিত্তরদাহ টু দিঘড়ীসহ ঝিকরগাছার গ্রামাঞ্চলের অধিকাংশ পাকারাস্তার উপরে ব্যাপকভাবে কাঁদা জমেছে।
বাঁকড়া ইউনিয়নের শিমুলিয়া গ্রামের জিএম রিফাত হোসেন জানান, এই ব্যবসায়ী সব সময়ই ছিলো। কখনও এই নেতার হাত দিয়ে কখনও ঐ নেতার। বর্ষায় সময় বাঁকড়া এলাকার মানুষের কষ্টের অন্যতম কারণ, ইটের ভাটা। কিন্তু টাকা দিয়ে তারা সব ঠিক করে নেয়। হাজিরবাগ ইউনিয়নের মাটিকোমরা গ্রামের গোলাম সরোয়ার জানান, বাঁকড়া টু হাড়িখালি রোড তো আর রোড নেই। যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরণের দুর্ঘটনা।
কলেজছাত্র নেওয়াজ আরেফিন রিফাত জানান, দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করা দরকার। মাটি টানা ট্রাক্টরগুলো এভাবে বেপরোয়া চলতে থাকলে এলাকার রাস্তা খুব তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যাবে।
সাদিপুর গ্রামের সাইফুল ইসলাম পিন্টু জানান, ট্রাক্টরে যে পরিমাণ লোড দেয়া হয়, তাতে রাস্তা নষ্ট হতে বেশি সময় লাগবে না। যে কারণে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের নজরদারী থাকা উচিত।

(ঊষার আলো-এমএনএস)