সংবাদ সম্মেলনে দাবি

রূপসার শিয়ালি গ্রামের ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার ও তদন্তপূর্বক বিচার করতে হবে

সর্বশেষ আপডেটঃ

ঊষার আলো প্রতিবেদক : শিয়ালী গ্রামে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার তান্ডবলিলায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দির,বাড়ী ঘর ভাংচুর ও সম্পদ লুটের সাথে জড়িতদের অনতিবিলম্বে গ্রেফতার এবং তদন্তপূর্বক বিচার করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্তদেরকে ক্ষতিপুরণ দিতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত মন্দির সমূহ সংস্কার করে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে হবে। এলাকার মানুষদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। শেখপুরা, বামনডাঙ্গা ও চাঁদপুর সাম্প্রদায়িক অপশক্তির ঘাটি হিসাবে বহুপূর্ব থেকে চিহ্নিত। এ সকল এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করতে হবে। একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ এই দাবি করেন।

সোমবার (৯ আগস্ট) বেলা ১১টায় বিএমএ মিলনায়তনে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি এর সভাপতি ডাঃ শেখ বাহারুল আলম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি হুমায়ুন কবির ববি, ওয়ার্কার্স পার্টির মহানগর কমিটির সভাপতি মফিদুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মহেন্দ্রনাথ সেন, মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারন সম্পাদক প্রশান্ত কুন্ডু, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম সেলিম, মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের কোষাধ্যক্ষ রতন কুমার নাথ প্রমুখ।

লিখিত বক্তব্যে বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশকে পাকিস্তানি ভাব ধারায় নিয়ে যাওয়ার অপচেষ্টা চলেছে। ধারাবাহিকভাবে অপশক্তি ক্ষমতায় থাকার ফলে সাম্প্রদায়িক শক্তি বাংলাদেশে পুনরায় সংগঠিত হওয়ার সুযোগ লাভ করেছে। বর্তমান সরকারের উন্নয়ন সাফল্যকে ম্লান করতে এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি নষ্ট করতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধি সাম্প্রদায়িক শক্তি শিয়ালীতে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর এই হামলা চালিয়েছে। ঘটনার প্রাথমিক সূত্রপাত ৩ আগস্ট হলেও এ বিষয়ে পুলিশের ভূমিকা সন্দেহের উর্ধ্বে নয়। এই ঘটনার আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

(ঊষার আলো-এমএনএস)