লকডাউন শেষে খুলনা-যশোর মহাসড়কে উপচে পড়া ভীড়

সর্বশেষ আপডেটঃ

ঊষার আলো প্রতিবেদক : ১০ আগষ্ট পর্যন্ত বাড়ানো লকডাউন শেষে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার সমৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিন গণ-পরিবহন বন্ধ থাকার পর গতকাল বুধবার (১১ আগস্ট) হতে শর্ত সাপেক্ষে গণপরিবহন/যানবহন সমপরিমান যাত্রী নিয়ে সড়কে চলাচল শুরু করে। যে কারনে লকডাউন শেষে শিথিলতার প্রথম দিনে নগরীর দৌলতপুরস্থ খুলনা-যশোর মহাসড়কে বাস, ট্রাক, পিকআপ, ইজিবাইক, মাহেন্দ্র, সিএনজিসহ ইজ্ঞিনচালিত যানবহনে উপচে পড়া ভীড়ে পরিলক্ষিত হয়েছে। টানা লকডাউন শেষে সড়কে দিকে হঠাৎ করে তাকালে মনে হচ্ছে যেন রাজধানী ঢাকার শাহবাগ বা গুলিস্তানের জ্যামে পড়ে আছি। খুলনা-যশোর মহাসড়ক জুড়ে ছুটে চলা মাহেন্দ্র, সিএনজি, ইজিবাইক, ইজ্ঞিন চালিত রিক্সা-ভ্যান, হালকা-মাঝারী যানবহনসহ বাস-ট্রাকের দীর্ঘ লাইনের যানজটে চরম ভোগান্তিতে পড়ছে মহাসড়কে চলাচলরত পথচারীসহ সাধারণ মানুষসহ পথচারী। এ যানজটের কারণে গন্তব্যস্থলে পৌছাতে সময় লাগছে দীর্ঘক্ষণ। এই যানজট কমাতে যেন হাঁপিয়ে উঠছে ট্রাফিক বিভাগের পুলিশ উপ-পরিদর্শকসহ দায়িত্বরত কনস্টেবল। মহাসড়কে চলাচলরত ক্ষুদ্র বা মাঝারী যানবহন তথা মাহেন্দ্র, সিএনজি, ইজিবাইক, ইজ্ঞিনের রিক্সা-ভ্যান, দূরপাল্লার বাসগুলোর যাত্রী ওঠা নামানোর প্রতিযোগীতা, অনুমোদিত পার্কিং দরুন এই দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।

পথচারী প্রিয়া রহমান জানান বলেন, দৌলতপুর ট্রাফিক মোড় হতে মুহসীন মোড় পর্যন্ত সকাল হতে রাত পর্যন্ত দীর্ঘ লাইন লেগেই আছে। এতো জ্যাম যে রাস্তা হেটে পার হতে দীর্ঘ সময় লাগছে। বুধবার (১১ আগস্ট) হতে সড়কে শিথিলতা বিরাজ করার কারনে এমন চিত্র দেখা যায়। শিথিলতার প্রথমদিনই ট্রাফিক বিভাগকে হিমশিম খেতে হয়েছে যানজট নিরসনে।

এ ব্যাপারে দৌলতপুর থানার তদন্ত (ওসি) আমিনুল ইসলাম মিন্টু জানান লকডাউন শিথিলতায় দৌলতপুরে যানবহনের ব্যাপক চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। ট্রাফিক বিভাগের পাশাপাশি দৌলতপুর থানা পুলিশও যানজট নিরসনে নিরলস কাজ করছে।

(ঊষার আলো-এমএনএস)