লকডাউন শেষে বাজার খোলা তবে নেই কাংখিত কেনাবেচা

সর্বশেষ আপডেটঃ

ঊষার আলো প্রতিবেদক : করোনার ভাইরাসের শনাক্তসহ মৃত্যুর হার নিয়ন্ত্রণে আনার লক্ষে গত ১০ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো লকডাউন শেষে দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার সমৃদ্ধির কথা বিবেচনা করে ১১ আগস্ট হতে শর্তসাপেক্ষে দোকানপাট, শপিংমল, বাজার, হোটেল-রেস্তারা খুলে দেয়া হয়েছে। এই ধারাবাহিকতায় ১১ আগষ্ট হতে নগরীর দৌলতপুরে সকল পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা দীর্ঘ লকডাউন শেষে তাদের ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ধোয়া মোছা শেষে লকডাউনে পিছিয়ে পড়া লোকসান পুষিয়ে নিতে নতুন আমেজে ভালো কেনাবেচার প্রত্যাশা নিয়ে প্রতিষ্ঠান খুললেও শিথিলতার তিন দিনের মাথায়ও কাংখিত ক্রেতা না পেয়ে বেশ হতাশাগ্রস্ত পরেছেন। বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) সরেজমিনে, দৌলতপুর কাচা সবজির বাজার, মাছ-মাংশের দোকান, পোশাক তথা গার্মেন্টস্ দোকান, প্রসাধণীর দোকান, হোটেল রেস্তারার সহ অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকদের সাথে কথা বলে বেশ হতাশার কথা জানা যায়।

তারা জানান, সরকার ঘোষিত লকডাউন শিথিলতার ঘোষনায় ব্যবসায়ীরা ভালো কেনাবেচার আশায় স্বস্তিবোধ করলে বাস্তবে স্বস্তির বিপরীতে হতাশায় ভুগছেন। প্রতিদিনই দৌলতপুর পাইকারী কাচাবাজারে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সবজি সরবরাহ হচ্ছে। খুচরা ব্যবসায়ীরা পাইকারী বাজার হতে সবজি কিনে আনলেও মিলছেনা কাংক্ষিত ক্রেতা সাড়া। সারাদিনই ধরতে গেছে ঝিমিয়ে ঝিমিয়ে কাটছে এ সকল ব্যবসায়ীদের সময়।

আলু বিক্রেতা বাবু জানান, লকউাউনের মধ্যে ভালো কেনাবেচা হলেও বর্তমানে শিথিলতায় যে কেনাবেচার সম্ভবনা করেছিলাম তার কিছুই মিলছেনা। কারণ লকডাউনে বাজার দুপুর ৩টা পর্যন্ত খোলা থাকার দরুন আগে ভাগেই সকলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পন্য সরবরাহ করতো। আর এখন যে কোন সময় বাজারে এসে পন্য সংগ্রহ করতে পারে, তাই ক্রেতা দেখা কম।

জে.কে ফ্যাশনের বিক্রেতা কামরুল জানান, ঈদের পর হতে টানা দোকান বন্ধ। দোকান ঈদে সরবরাহ করা পোশাক ভরা রয়েছে। কোন ক্রেতা নেই। কারনে মাসের মাঝামাঝি তাই হয়তোবা ক্রেতা কম। আশাবাদি লকডাউন শিথিল থাকলে কেনাবেচা বাড়বে। পশুপতি ঘোষ ডেয়ারীর বিক্রেতা তপু ঘোষ জানান, সরকার হোটেল রেস্তারা সকাল ৮ হতে রাত ১০টা পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারন করলেও হোটেলে বসে কেউ খেতে খাচ্ছে না। লকউাউন শিথিল হলেও সকলের মধ্যে বেশ এখনো করোনা আতংক বিরাজ করছে। বৈশ্বিক মহামারি করোনা অর্থনৈতিক চাকার যে অবরুদ্ধতা ঘটিয়েছে তার যাতাকলের পিষ্টে আজব্দি সংকট কাটিয়ে উঠতে পারেনি নগরীর দৌলতপুরের পোশাক, শপিংমল, দোকানসহ গামের্ন্টস্, হোটেল-রেস্তারা কাঁচাবাজারসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মালিকগণ। ব্যবসায়ীরা মনে করছেন সবকিছু খুলে দেওয়ার দরুন অনেকের মধ্যেই করোনা আতংক বিরাজ করছে তাছাড়া মাসের মাঝামাঝির দরুন অনেকের হাত টানাটানি। সবমিলিয়ে নগরীর দৌলতপুরে দীর্ঘ টানা লকডাউন শেষে সব কিছু খোলা থাকলেও কাংক্ষিত কেনাবেচা না হওয়ার দরুন ব্যবসায়ীরা হতাশায় ভুগছেন।

(ঊষার আলো-এমএনএস)