শারদীয় দুর্গােৎসবকে ঘিরে নগরীর শপিংমলে উপচে পড়া ভিড়

সর্বশেষ আপডেটঃ

মোঃ আশিকুর রহমান : হাতে গোনা কয়েকদিন পরই ঢাক-ঢোল আর সানাইয়ের সুর, হরেক রকম চোখ ঝাঁঝালো লাল-নীল রঙিন বাতি, জমকালো গেট আর ঘরে-ঘরে উৎসবের ছোয়া নিয়ে আগামী ১১ অক্টোবর হতে ষষ্ঠী পূজার মধ্যেদিয়ে শুরু হচ্ছে পাঁচ দিনের সনাতন ধর্মাবিলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।

ইতিমধ্যেই কোভিড-১৯ এর শনাক্তের হার হ্রাস পেয়েছে যে কারণ অনেকেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্ব-পরিবারে আসছে কেনাকাটা করতে। দুর্গাপূজাগুলোকে কেন্দ্র করেই করে নগরীর দৌলতপুরের আধুনিক বিপনীকেন্দ্র, শপিংমল, শপিং মাকের্টগুলো ক্রেতার মনোরঞ্জন করতে সেজেছে বর্নীল সাজে। বাজারের সর্বস্তরের ব্যবসায়ীরা নিজ প্রতিষ্ঠানে থরে বিথরে সাজিয়ে রেখে নতুন-নতুন আমদানি করা পোশাক সামগ্রী। যার মধ্যে শোভা পাচ্ছে রকমারী জামদানি, সিল্ক, বেনারসি, তাঁত, প্রিন্টসহ আধুনিক শাড়ী, থ্রী-পিস, জুতা-স্যান্ডেল ও বাহারী প্রসাধনীর। দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই বেশ জমে উঠেছে কেনাকাটার বাজার। সকাল হতে শুরু করে সারাদিনইব্যাপী কেনাকাটায় কাংক্ষিত ক্রেতা সাড়া মিলছে বলে জানিয়েছেন একাধিক ব্যবসায়ীরা। তবে নজরে পড়ার মতো ভিড় হচ্ছে সন্ধ্যার পর হতে রাত ১০টা পর্যন্ত। তবে দলবেধে তরুনীসহ স্বপরিবার বেশি ভিড় করছে শাড়ী আর প্রসাধনীর দোকানগুলোতে।

সরেজমিনে, দৌলতপুরের মোর্ত্তজা ম্যানশন, আশা বস্ত্রালয়, মিলন বস্ত্রালয়, সাফিন ফ্যাশন, ডি-রেক্স, শিহাব ফ্যাশান, অমি শপিংমল, আচল ফ্যাশন, শীতল ফ্যাশন, অমি শপিং মল, জে.কে.শপিং কর্ণার, সাবিহা ফ্যাশন, মেসার্স সংসার, সেফ এন্ড সেইভ, প্রবীর বস্ত্রালয়, সম্রাট সু, ওয়েলকাম বাজার, বাটা সু, লাবিবা কসমেটিকস্, চুড়ি হাউজ, জামিয়া কসমেটিকস্, শুভেচ্ছা কসমেটিকস্সহ আধুনিক সব বিপনী বিতানগুলোতে চলছে পূজার কেনাবেচার মহাৎসব।

দৌলতপুর আশা বস্ত্রলায়ের মালিক বলেন, পূজাকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই বেশ ক্রেতা সাড়া মিলছে, হচ্ছে ভালো কেনাবেচা। দামও রাখা হচ্ছে মার্জিত। শপিংমলে মহিলাদের রুচিসম্মত উন্নতমানের রুচিশীল পোশাক তুলেছি।

মেসার্স প্রবীর বস্ত্রালয়ের মালিক নির্মল সাহা বলেন, দূর্গা পূজার জন্য ইতিমধ্যে দোকানে টাঙ্গাইলের শাড়ি, গ্যাস সিল্ক, জামদানী, মনপুরী তাত, কাতান, কাঞ্চিবরনসহ হরেক রকম শাড়ী তুলেছি, ক্রেতা সাড়াও ভালো। এ বছর সিল্ক আর জর্জেট শাড়ির ক্রেতা বেশি।

ক্রেতা অনুপ কুমার ঘোষ বলেন, পূজার কেনাকাটা সাধারনত খুলনা হতেই করা হয়। এবার দৌলতপুরে কেনাকাটা কারলাম। দাম সাধ্যের মধ্যেই আছে। সব মিলিয়ে ব্যবসায়ীরা আশাবাদী করোনা সংকটে পিছিয়ে পড়া অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে উঠতে দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে কাংক্ষিত কেনাবেচা করে পিছিয়ে অর্থনৈতিক ঘাটতি অনেকটাই কাটিয়ে ওঠে লাভে মুখ দেখতে পারবেন।

(ঊষার আলো-এমএনএস)