সবজি বাজারে লকডাউন অজুহাতে দাম বাড়তি

সর্বশেষ আপডেটঃ

ঊষার আলো প্রতিবেদক : খুলনা জেলা প্রশাসন আর সারা দেশব্যাপী কঠোর লকডাউনের অজুহাতে আর পণ্যবাহী পরিবহনের সংকটের দোহাই দিয়ে দৌলতপুর পাইকারীসহ খুচরা কাঁচা বাজারে। তবে লকডাউনের বিশেষ দৌলতপুর কাঁচা বাজারের যে সকল ব্যবসায়ীগণ খুলনা পাইকারী কাঁচা বাজার হতে কাঁচা সবজি ক্রয় করে এনে দৌলতপুর খুঁচরা বাজারে বিক্রি করছে। তাছাড়া বর্তমানে দৌলতপুর বাজারে সবজির যে দাম যাচ্ছে খুচরা ব্যবসায়ীরা তা করোনার এই লকডাউনের কঠিন সময়ে কমই বলে অভিমত জানালেও বাজারে আসা ক্রেতা তাদের এ অভিমত মানতে কোন ভাবেই রাজি নয়, তাদের মতামত লকডাউনের অজুহাতে অধিক দাম নিচ্ছে সবজি ব্যবসায়ীরা।
সরেজমিনে, মঙ্গলবার (৬ জুলাই) নগরীর দৌলতপুর খুচরা কাঁচা বাজার ঘুরে বাজারের এমই বাস্তব চিত্র দেখা গেছে। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ব্যবসায়ীরা বেশি দামে বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ করেছেন একাধিক ক্রেতারা। নিত্য প্রয়োজনীয় সবজির এই ধারাবহিক ক্রমাগত দামবৃদ্ধি ভাবিয়ে তুলেছে দৌলতপুর খেটে খাওয়া সাধারণ নিন্ম আয়ের মানুষ বিশেষ করে দিন-মুজুর, কুলি, রিক্সাচালক, যানবহন চালকেরাসহ মধ্যম আয়ের মানুষ। দৌলতপুর বাজারের ব্যবসায়ী রনি, বর্তমানে বাজারের সবজির দাম সহনীয়। গত দুই সপ্তাহ আগে যে পরিমানে কাঁচা সবজির দাম বেড়েছিল তার তুলনায় বর্তমানে কম।
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যবসায়ী বলেছেন, করোনা আর কঠোর লকডাউনের কারণে বর্তমান বাজারে কাঁচা সবজির সরবরাহ কিছুটা কম থাকায় এবং স্থানীয় অঞ্চল হতে ব্যবসায়ীরা বাজারে সবজি না আনায় বাজারে বেশ সবজি সংকট। যে কারণে পাইকারী বাজার ঘরে খুচরা বাঁজারে সবজির দাম বেশি। সরেজমিনে, দৌলতপুর সবজি খুচরা বাজারে বেগুন প্রতি কেজি ৬০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, ঝিঙে ৫০ টাকা, কুশি ৪০ টাকা, কাকরোল ৫০ টাকা, বরবটি শিম ৪৫ টাকা, কঁচুরমুখী ৫০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, ধুন্দল ৩৫ টাকা, কাঁচকলা ৩০ টাকা হালি, ঢেঁড়শ ৭০ টাকা, জালি প্রতি কেজি ৩৫ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ২৫ টাকা, লাউ প্রতি পিচ ৫০ টাকা, পেঁয়াজ ৪০ টাকা, আলু ২০ টাকা ও রসুন ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
দৌলতপুর কাঁচা বাজার খুচরা মালিক সমিতির সভাপতি, বাজারের সাবেক মেম্বর, ব্যবসায়ী পলাশ শেখ জানান, পাইকারি বাজারে আগের মতো কাঁচামাল আসছেনা। লকডাউনের কারণে পরিবহন সংকট থাকায় কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তাছাড়া দেশব্যাপী চলছে কঠোর লকডাউন।
তিনি আরো জানান, ক্রেতাদের চাহিদার তুলনায় সবজির সরবরাহ কম। যে কারণে বাজারে কিছুটা সবজি সংকট আছে।
ক্রেতা সৌরভ জানান, নির্ধারিত সময়ের আগে সব মালামাল বিক্রি শেষ যাচ্ছে সবজি। তাছাড়া বাজারে চাহিদার তুলনায় মালের যোগান কম থাকায় সব জিনিসের দাম বেশী বলে জানান তিনি। দৌলতপুর বাজারে আসা সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, এক’শ টাকায় দুই রকমের সবজি কেনা যায়না সম্প্রতি সময়ে। করোনা মহামারীর ভয়াবহ দূর্যোগময় মুহুর্তে কঠোর লকডাউন আর করোনার অজুহাতে সবজির দাম বেশি নিচ্ছে ব্যবসায়ীরা বলে একাধিক ক্রেতার অভিযোগ।
(ঊষার আলো-এমএনএস)