সাতক্ষীরায় অজ্ঞান পার্টির প্রধান সবুজসহ ৫ সদস্য গ্রেফতার

সর্বশেষ আপডেটঃ
ছবি : সাতক্ষীরা থেকে অজ্ঞান পার্টির প্রধান সবুজসহ ৫ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬।

ঊষার আলো  প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা থেকে সংঘবদ্ধ অজ্ঞান পার্টির প্রধান সবুজ সরদারসহ ৫ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬।  রবিবার (৪ অক্টোবর) সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সামনে পরিচালিত অভিযানে আসামীরা ধরা পড়ে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, পাটকেলঘাটা থানাধীন গনেশপুর গ্রামের মৃত মোজাহার আলীর ছেলে মোঃ সবুজ সরদার (৩৪) ও আল-আমিন সরদার (৪০), একই থানাধীন খলিশখালী গ্রামের মৃত দবিরউদ্দিন গাজীর ছেলে আঃ মাজেদ গাজী (৪২), হবিগঞ্জের চুনারুঘাট দুধপাতিল গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৩৪), সুলতান মাহমুদপুর গ্রামের মৃত জিন্নাত আলীর ছেলে শামসু মিয়া (৫৯)।

সোমবার (৪ অক্টোবর) র‌্যাব সূত্র জানায়, রবিবার বিকাল ৫টায় র‌্যাব-৬,(সদর কোম্পানি) খুলানর একটি আভিযানিক দল জানতে পারে, অজ্ঞান পার্টির প্রধান সবুজ সরদারসহ তার সহযোগী, মোঃ আঃ মাজেদ গাজী, মোঃ আনোয়ার হোসেন, মোঃ আল-আমিন সরদার ও শামসু মিয়া সাতক্ষীরাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস নামক লোকাল বাসে উঠে সাক্ষীরার উদ্দেশ্যে রওনা করে।

এরপর বাসটি সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সামনে পৌছালে অজ্ঞান পার্টির প্রধান সবুজ সরদার তার পাশের ছিটে বসা জনৈক সাইফুল ইসলামের সাথে বিভিন্ন কথাবার্তা বলার এক পর্যায়ে ভিকটিম সাইফুল ইসলামের চোখে মলম জাতীয় কিছু লাগিয়ে দেয়।

এতে সাইফুলের চোখ জ্বালাপোঁড়া শুরু করে। তখন ভিকটিম সাইফুল ইসলাম চিৎকার করলে অজ্ঞান পার্টির প্রধান সবুজ সরদারের সহযোগীরা ভিকটিম সাইফুল ইসলামের পরিহিত জিন্স প্যান্টের ডান পকেটে থাকা অনুমান ১০হাজার ৭শ ৯৬ টাকা ছিনিয়ে নেয়।

এসময় র‌্যাব-৬, খুলনার অভিযানে ভিকটিম সাইফুলক ইসলামকে উদ্ধার পূর্বক অজ্ঞান পার্টির প্রধান মোঃ সবুজ সরদার, আল-আমিন সরদার, মোঃ আঃ মাজেদ গাজী, মোঃ আনোয়ার হোসেন, শামসু মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া ১০ হাজার ৭শ ৯৬ টাকা, একটি হাত ব্যাগ, সাতটি মোবাইল, দুটি বিষাক্ত ঔষধের ডিব্বা ও হামদর্দ কোম্পানির ২টি পাম্পলেট উদ্ধার করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামীগন ৫-৬ বছর যাবৎ বিভিন্ন কেমিক্যাল দিয়ে নিজেরাই চেতনা নাশক মলম তৈরী করে সংঘবদ্ধভাবে বিভিন্ন মানুষকে অজ্ঞান করে সর্বশান্ত করার বিষয়টি স্বীকার করে। গ্রেফতাকৃতদেরকে সাতক্ষীরা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

(ঊষার আলো-আরএম)