মৎস্য সপ্তাহ ২০২১ উপলক্ষে ২০ জনকে সম্মাননা

সেরা মৎস্য চাষী সম্মাননা পেলেন যুবলীগ নেতা পলাশ

সর্বশেষ আপডেটঃ
ছবি : তেরখাদায় আধুনিক পদ্ধতিতে পাবদা চাষ করে সেরা মৎস্য চাষী সম্মাননা পেলেন যুবলীগ নেতা সফিকুর রহমান পলাশ।

ঊষার আলো রিপোর্ট : মৎস্য সপ্তাহ ২০২১ উপলক্ষ্যে সোমবার জেলার মৎস্য চাষীদের সম্মাননা দিয়ে অনুপ্রাণিত করেছে জেলা প্রশাসন ও জেলা মৎস্য অধিদপ্তর।

জেলার তেরখাদা উপজেলায় পাবদা চাষ করে সেরা মৎস্য চাষী সম্মাননা পেয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, খুলনা মহানগর শাখার আহবায়ক সফিকুর রহমান পলাশ। তিনি তেরখাদা উপজেলায় আধুনিক পদ্ধতিতে পাবদা চাষ করে সেরা মৎস্য চাষী সম্মাননা পেয়েছেন।

সোমবার (৩০ আগস্ট) সকালে খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ২০ জন মৎস্য চাষীকে সম্মাননা প্রদান করেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি তালকুদার আব্দুল খালেক। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদার, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়দেব পালসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারী বৃন্দ।
সফিকুর রহমান পলাশ বলেন, তিনি ২০২০ সাল থেকে তেরখাদায় তিন বিঘা জমিতে পাবদা চাষ করে আসছেন। এতে যেমন লাভ হয় তেমন লোকসানের সম্ভাবনা কম পাশাপাশি পরিবেশের ক্ষতিও কম। তেরখাদা উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে চিংড়ি চাষ হয়ে আসছিল। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে ভাইরাস, প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও করোনা মহামারির কারনে চিংড়ি চাষীরা বার বার ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। আর লবন পানি জমিতে প্রবেশ করানোই পরিবেশেরও ক্ষতি হচ্ছে। এ কারনে তেরখাদা মৎস্য অধিপ্তরের পরিকল্পনায় আমি এই চাষ শুরু করি। যাতে করে আমাকে দেখে এই অঞ্চলের চাষীরা আরো অনুপ্রানিত হয়। পাবদা ঘেরের আইলে আপনি মিশ্র স্ববজি চাষ করেও অতিরিক্ত আয় করতে পারবেন।
তিনি আরো বলেন, এখনও তার ১৫ বিঘা জমিতে গলদা ও বাগদা চাষ হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে গলদা ও বাগদা চাষ কমিয়ে তিনি পাবদা চাষ বৃদ্ধির পরিকল্পনা নিচ্ছেন। যদিও গলদা ও বাগদা থেকে পাবদা চাষে লাভ কম। কিন্তু ঝুঁকি কম ও মিশ্র চাষ করে অতিরিক্ত আয় হওয়ায় লাভ কম হলেও কৃষকরা সেটি কাঁটিয়ে উঠতে পারবে।
তেরখাদা মৎস্য কর্মকর্তা প্রদিম কুমার দাম বলেন, উপজেলা পর্যায়ে মৎস্য চাষ প্রযুক্তিসেবা সম্প্রসারণ প্রকল্প এর আওতায় পাবদা চাষ প্রদর্শনী করা হয়। রাজনীতিবীদ হওয়ায় তরুন ও যুব সমাজের কাছে তেরখাদা উপজেলাসহ খুলনায় সফিকুর রহমান পলাশের জনপ্রয়িতা আছে। তিনি মাছ চাষের সাথে জড়িত। এ কারনে তাকে দিয়ে আমরা প্রদর্শনীটি করিয়েছি। যাতে করে তাকে দেখে অন্যরা অনুপ্রানিত হয়। পরিবেশ ও ক্ষতিগ্রস্থ চিংড়ি চাষীদের লোকসান কমিয়ে আনতে পাবদা চাষ প্রকল্প গ্রহন করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এই উপজেলা থেকে সফিকুর রহমান পলাশসহ আরো তিন জনকে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
অপরদিকে, সেরা মৎস্য চাষী সম্মাননা পাওয়ায় বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ খুলনা মহানগর শাখার আহবায়ক সফিকুর রহমান পলাশকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে নেতৃবৃন্দ। পাশাপাশি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে খুলনা জেলা প্রশাসন ও জেলা মৎস্য অধিদপ্তরকে।

বিবৃতিদাতা নেতৃবৃন্দরা হলেন, নগর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজন, এস এম হাফিজুর রহমান হাফিজ, রোজী ইসলাম নদী, কামরুল ইসলাম, মোঃ আব্দুল কাদের শেখ, এ্যাডঃ আল আমীন উকিল, মোঃ আবুল হোসেন, কাজী কামাল হোসেন, শওকত হোসেন, শেখ মোহাম্মদ আলী, অভিজিৎ চক্রবর্তী দেবু, কবির পাঠান, তাজুল ইসলাম, মোস্তফা শিকদার, কাজী ইব্রাহীম মার্শাল, জুয়েল হাসান দিপু, সাজ্জাদুর রহমান লিংকন, মহিদুল ইসলাম মিলন, মশিউর রহমান সুমন, মেহেদী মোড়ল, কে এ শাহিন, ইয়াসিন আরাফাত, রাশেদুল ইসলাম রাশেদসহ নগরী যুবলীগের সকল নেতা কর্মী।

(ঊষার আলো-আরএম)