১৫ হাজার হাজতির মুক্তি আট দিনে

সর্বশেষ আপডেটঃ

ঊষার আলো ডেস্ক : চলমান লকডাউনের অষ্টম কার্যদিবসে বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) সারাদেশের অধস্তন আদালতসমূহে তিন হাজার ৩২টি আবেদনের ওপর ভার্চুয়াল শুনানি ও নিষ্পত্তি হয়। এ দিন এক হাজার ৫৯২ আসামিকে জামিন দেয়া হয়েছে। ফলে সর্বমোট আট কার্যদিবসে ২৬ হাজার ৮৪৮টি মামলায় ভার্চুয়াল শুনানির মাধ্যমে মোট ১৫ হাজার ২১৭ জন হাজতি জামিন পেয়ে কারামুক্ত হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার মুহাম্মদ সাইফুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।
জানা গেছে, করোনা সংক্রমণ রোধে চলমান লকডাউনে সারাদেশে অধঃস্তন আদালত এবং ট্রাইব্যুনালে শারীরিক উপস্থিতি ছাড়াই ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে জামিন এবং অতীব জরুরি ফৌজদারি দরখাস্তের ওপর শুনানি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) সারাদেশের অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালে ভার্চুয়াল শুনানিতে তিন হাজার ৩২ টি জামিন-দরখাস্ত নিষ্পত্তি করা হয়েছে।
এর আগে ভার্চুয়াল আদালতের প্রথম দিনে সারাদেশে অধস্তন আদালতসমূহে এক হাজার ৬০৪ জন, দ্বিতীয় দিনে তিন হাজার ২৪০ জন, তৃতীয় দিনে দুই হাজার ৩৬০ জন, চতুর্থ দিনে এক হাজার ৮৪২ জন, পঞ্চম দিনে এক হাজার ৬৩৫ জন, ষষ্ঠ দিনে এক হাজার ৫৭৬ জন এবং সপ্তম দিনে এক হাজার ৩৪৯ জন আসামিকে জামিন দেওয়া হয়। আর সবমিলিয়ে সর্বমোট আট কার্যদিবসে ২৬ হাজার ৮৪৮টি মামলায় ভার্চুয়াল শুনানির মাধ্যমে মোট ১৫ হাজার ২১৭ জন হাজতি কারামুক্ত হয়েছেন। পাশাপাশি এসময়ে জামিনপ্রাপ্ত শিশুর সংখ্যা ১৬৭ জন।
প্রসঙ্গত, গত ১১ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে। সেখানে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ মহামারির বিস্তার রোধে ১২ এপ্রিল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ভার্চুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে জামিন ও অতি জরুরি ফৌজদারি দরখাস্তসমূহ নিস্পত্তি করার উদ্দেশ্যে আদালত ও ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
এছাড়াও সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় প্রত্যেক চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এক বা একাধিক ম্যাজিস্ট্রেট যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে শারীরিক উপস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করবেন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

(ঊষার আলো-এমএনএস)