২০০ টাকার মরিচ এখন ৬০ টাকায়

বাজারে কমেছে কাঁচা মরিচের ঝাঁজ

সর্বশেষ আপডেটঃ

ঊষার আলো প্রতিবেদক : ভারী বর্ষা, বন্যায় ক্ষেত নষ্ট, ভারত হতে ঝালের আমদানী কমসহ আমদানীকৃত ঝাল বাজারে সরবরাহ কম থাকার কারনে নগরীর দৌলতপুর পাইকারী-খুঁচরা উভয় বাজারে কাঁচা মরিচের বাজারে যে আগুন লেগে ছিল মাত্র ৫/৬ ব্যবধানে সেই মরিচ ইতিমধ্যেই ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার তার মধ্যে চলে এসেছে। নগরীর দৌলতপুর পাইকারী ও খুচরা কাঁচা বাজার ঘুরে দেখা গেছে এ মাসের শুরুতে মরিচ দাম ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল সেই সোনায় সোহাগা মরিচ বর্তমানে পাইকারী বাজারে ৬০ টাকা আর পাইকারী বাজার ঘুরে এসে খুচরা বাজারের ব্যবসায়ীরা প্রতি কেজি বিক্রি করছে ৮০ টাকা দরে

মরিচের দাম কমার বিষয়ে বাজারের একাধীক ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারত হতে ঝাল আমদানী হওয়ার দরুন ইতিমধ্যেই বাজারে মরিচের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকার কারণে মরিচের বাজার নিয়ন্ত্রনে চলে এসেছে। ভারী বর্ষা, বন্যায় ক্ষেত নষ্ট, ভারত হতে ঝালের আমদানী কমসহ আমদানীকৃত ঝাল বাজারে সরবরাহ কম থাকার কারনে মরিচের দাম হুড় হুড় করে বাড়তে থাকে। দাম স্বাভাবিক ও ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আনার লক্ষে সরকার মরিচ আমদানী করলে বাজার দর নামতে থাকে। যে কারণে কিছু দিনের আগের ডবল সেঞ্চুরী হতে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা দরে।

দৌলতপুর বাজারের ব্যবসায়ী শ্যামল (কটা) জানান, চলতি মাসের শুরুতে কাচা মরিচের দাম ছিল ২০০ টাকার মতো। তবে ভারতীয় কাচা মরিচ আমদানীতে দাম কিছুটা কমে গেছে। বাজারে আসা ক্রেতা শারমিন আক্তার লিপি জানান, কয়েক দিন আগে কাচা মরিচের গায়ে যে ঝাঝ লেগেছিল তা বর্তমানে শিথিল হয়ে গেছে। দাম হাতের নাগালে আসার দরুন বেশ স্বস্তিবোধ করছি। তবে একটি কমলে আরেকটির দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখন আবার নতুন গলার কাটা হলো চিনি তেল আর ডাল।

এ বিষয়ে দৌলতপুর বাজার খুচরা কাচাঁমাল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শেখ পলাশ হোসেন বলেন, ভারী বর্ষার দরুন উৎপাদিত ফসল বিনষ্ট হওয়ার দরুন বাজার কিছুটা উর্ধমূখি ছিল বর্তমানে বাজারে কাচা মরিচের প্রচুর সরবরাহ থাকার কারণে মরিচের দাম হাতের লাগালে চলে এসেছে।

(ঊষার আলো-এমএনএস)