UsharAlo logo
, |
আজকের সর্বশেষ সবখবর

খুলনায় দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল, ২৪ ঘণ্টায় ১৩ জনের মৃত্যু

ঊষার আলো
জুন ৩০, ২০২১ ১১:৪১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ঊষার আলো রিপোর্ট : খুলনায় দীর্ঘ হচ্ছে করোনায় মৃত্যুর মিছিল। পরপর বিধিনিষেধ ও ‘লকডাউন’ দিয়েও সংক্রমণ কমানো যাচ্ছে না। হাসপাতালগুলোতে চলছে অক্সিজেনের জন্য হাহাকার। ২৯ জুন বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় খুলনার পৃথক ৩টি হাসপাতালে করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরো ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এর মধ্যে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে ২’জন, খুলনা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ৩ জন ও বেসরকারি গাজী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।
খুলনার বেসরকারি গাজী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মালিক ডা. গাজী মিজানুর রহমান বলেন, হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন রয়েছে আরো ৮৫ জন। এরমধ্যে আইসিইউতে আছে ৫ জন আর এইচডিইউতে রয়েছে ১০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছে ২১ জন, আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ২০ জন।
মৃত ব্যক্তিরা হলেন- খুলনার দৌলতপুরের পাবলার মো. গোলাম হোসাইন (৬৫), কেশবপুরের সানাঙ্গসা এলাকার সিরাজ উদ্দিন (৯৫), ডুমুরিয়ার অজয় সাহা (৫২), খুলনার গল্লামারী এলাকার নূর আলম মোল্লা (৬৭), বটিয়াঘাটার নিখিল রঞ্জন মণ্ডল (৬৯), যশোরের বেজপাড়ার এস এম অনিন্দ রিমেল (৩০), একই এলাকার শিমুলপুরের সেকেন্দার আলী (৫৫), পিরোজপুর সদরের ৩১৪ সিআইপাড়ার আবুল বরকত (৮১)।
তিনি বলেন, ২৯ জুন মঙ্গলবার হাসপাতালটিতে ৩২ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২৭ জনের করোনা পজেটিভ হয়েছে।
খুলনা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. কাজী আবু রাশেদ বলেন, খুলনার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত ৩ জন হলেন- খুলনার দৌলতপুরের আয়শা বেগম (৬৮), একই এলাকার ফাতেমা বেগম (৬০) এবং বাগেরহাটের শরণখোলার রাবেয়া বেগম (৪৫)।
তিনি বলেছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালটিতে নতুন করে ভর্তি হয়েছে ১৮ জন, আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১৬ জন।
খুলনা করোনা হাসপাতালের ফোকাল পারসন ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার বলেন, খুলনার ১৩০ শয্যা বিশিষ্ট ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় ২’জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। মৃত ২’জন হাসপাতালের রেড জোনে চিকিৎসাধীন ছিল। আর হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন আছে ২০১ জন। এরমধ্যে রেড জোনে ১১৩ জন, ইয়ালো জোনে ৩৮ জন, আইসিইউতে ২০ জন ও এইচডিসিতে ২০ জন।
তিনি বলেছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালটি ভর্তি হয়েছে ৪৪ জন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ২৮ জন।

(ঊষার আলো- এম.এইচ)