ঊষার আলো রিপোর্ট : গাজীপুরের শ্রীপুরে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যেয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে ওই গৃহবধূকে ঘরের বারান্দার খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। এক পর্যায়ে অভিযুক্ত ধর্ষণচেষ্টাকারীসহ তাঁর স্ত্রী, ছেলে ও শ্যালক মিলে ওই গৃহবধূকে মারধর করেন।
পরে ওই গৃহবধূর বাবা ৯৯৯-এ ফোন করার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গৃহবধূকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে।
২২ জুন মঙ্গলবার সকালে উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের গলদাপাড়া গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। নির্যাতিত গৃহবধূর (২৫) স্বামী একজন নির্মাণ শ্রমিক।
অভিযুক্ত ধর্ষণচেষ্টাকারীর নাম মো. খলিলুর রহমান (৫০)। তিনি ওই গ্রামের মৃত রহিম উদ্দিনের ছেলে।
এ ঘটনায় গতকাল বিকেলে গৃহবধূ বাদী হয়ে ওই ৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দিয়েছে। ঘটনার পর থেকে খলিলুর রহমান, তাঁর স্ত্রী, ছেলে ও শ্যালক পলাতক রয়েছে।
গৃহবধূর স্বামী বলেন, প্রায় ৪ বছর আগে বাড়িতে বিদ্যুৎসংযোগ দেওয়ার জন্য খলিলুর রহমান ৩টি আলাদা সাদা স্ট্যাম্পে তাঁর স্বাক্ষর নিয়েছিল। এরপর তাঁর কাছে ২ লাখ টাকা পাবে বলে স্ট্যাম্পে উঠিয়ে তা পরিশোধের জন্য নানা ভয়ভীতি দেখাতে থাকে। এরই জেরে গতকাল সকাল ৭টার দিকে রান্নাঘর থেকে তাঁর স্ত্রীকে তুলে নিয়ে যান খলিলুর।
গৃহবধূ বলেছে, তাঁর ২ ছেলে ও ১ মেয়ে। তারা তখন ঘুমাচ্ছিল। তাঁর স্বামী কাজে বাইরে চলে যান। ওই সময়ে হটাট করে তাঁকে তুলে নিয়ে যায় খলিলুর। খলিলুরের বাড়ির পশ্চিম পাশে একটি ঘরের ভেতর আটকে তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এতে ব্যর্থ হয়ে টেনেহিঁচড়ে বারান্দায় নিয়ে একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখে তাঁকে। এরপর আরেক ঘর থেকে বেরিয়ে এসে খলিলুর রহমানের স্ত্রী, ছেলে ও শ্যালক তাঁকে মারধর করেন।
গৃহবধূর স্বামী বলেন, তাঁর শ্বশুর টের পেয়ে ৯৯৯-এ নম্বরে ফোন করেন।
শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) কামরুল ইসলাম বলেছেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থল পৌঁছার আগেই অভিযুক্ত খলিল, তাঁর স্ত্রী, ছেলে ও শ্যালক পালিয়ে গেছে।’
(ঊষার আলো- এম.এইচ)
