UsharAlo logo
, |
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নদীতে ঝাঁপ দেওয়া তরুণীকে বাঁচালেন পুলিশ সদস্য

ঊষার আলো রিপোর্ট
আগস্ট ২৬, ২০২৬ ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আত্মহত্যার চেষ্টা করা এক তরুণীকে জীবন বাজি রেখে বাঁচিয়েছেন এক পুলিশ সদস্য। নদীতে ঝাঁপ দেওয়া ওই তরুণীকে বাঁচাতে তিনি নিজেও ঝাঁপ দেন এবং সাঁতরে তার জীবন রক্ষা করেন।

পরে ওই তরুণীকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে পৌর এলাকার শিমরাইল সেতুর কাছে এ ঘটনা ঘটে।

অভিমান থেকে তিনি আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন বলে জানা গেছে। পুলিশ সদস্য অমিত ঘুরতে বের হয়ে তাকে ঝাঁপ দিতে দেখেন।

কনস্টেবল অমিত হাসানের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত, সাহসিকতা ও মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করেছেন স্থানীয়রা। নিজের জীবনের ঝুঁকি উপেক্ষা করে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে একজনের জীবন রক্ষার ঘটনায় পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন মেয়েটির পরিবারের সদস্যরাও।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে ওই নারী শিমরাইল কান্দি এলাকার প্রথম সেতু থেকে তিতাস নদীতে ঝাঁপ দেন। বিষয়টি দেখতে পেয়ে সেখানে এক ব্যাচমেটকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়া পুলিশ লাইন্সের কনস্টেবল অমিত হাসান তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে ঝাঁপ দিয়ে সাঁতরে তিনি ওই নারীকে উদ্ধার করেন। পরে একটি নৌকার সহায়তায় তাকে নদীর পারে এনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের পুলিশ বক্সে দায়িত্বে থাকা কনস্টেবল মঞ্জুর আলম ফারাবী জানান, এক তরুণী সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার পর কনস্টেবল অমিত হাসান সঙ্গে সঙ্গে পানিতে লাফিয়ে পড়েন। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। খবর পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১নং শহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) নাছির উদ্দিন হাসপাতালে ছুটে যান। তিনি ওই নারীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি জানান এবং তার চিকিৎসার খোঁজ নেন।

ওই নারীর মা জানান, প্রায় ছয় মাস আগে সদর উপজেলার রাধিকা-জগতসার গ্রামে তার মেয়ের বিয়ে হয়। বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে নারায়ণগঞ্জে থাকতেন। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় প্রায় তিন মাস আগে তিনি বাবার বাড়িতে চলে আসেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১নং শহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) নাছির উদ্দিন বলেন, মেয়েটি আত্মহত্যার উদ্দেশে ব্রিজ থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। আমাদের এক পুলিশ সদস্য পানিতে ঝাঁপ দিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরে রাত ১২টায় তাকে তার মা ও বোনের জিম্মায় তাকে দেওয়া হয়েছে।

ঊষার আলো-এসএ