- ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি (রোববার) বিএনপির শেষ জনসভা অনুষ্ঠিত হবে। এদিন দুপুর ২টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়াপল্টনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তিনি জানান, দুপুর ২টায় বিএনপির নির্বাচনী সর্বশেষ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
দলীয় নেতারা জানান, এই জনসভাকে কেন্দ্র করে নয়াপল্টনসহ আশপাশের এলাকায় ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। জনসভায় জনসাধারণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে দলের বিভিন্ন ইউনিটসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাদের নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।
বিএনপি সূত্র জানায়, এই জনসভাকে নির্বাচনপূর্ব চূড়ান্ত শক্তিপ্রদর্শন হিসেবে দেখছে দলটি। জনসভায় নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি, চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও করণীয় তুলে ধরবেন তারেক রহমান।
আজকের সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম প্রমুখ।
এদিকে আগামীকাল শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় সোনারগাঁও হোটেলে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করা হবে বলে জানা গেছে।
জামায়াত জোটের প্রার্থিতায় বিভ্রান্তি, সুবিধায় বিএনপি
আওয়ামলীগের ৪৮ শতাংশ ভোট পাবে বিএনপি
স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থানকারী দলের ইতিহাস বিকৃতিতে জাতি স্তব্ধ: বিএনপি
নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে থাকবে সমন্বিত রূপরেখা
দলের প্রতিষ্ঠাতা, সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ১৯ দফাকে মূল ভিত্তি ধরে সম্প্রতি প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঘোষিত ‘ভিশন ২০৩০’ এবং বর্তমান চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফার আলোকেই চূড়ান্ত করা হয়েছে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার। এবারের ইশতেহার শুধু নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নয়, বরং গণ-অভ্যুত্থানপরবর্তী নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সমন্বিত রূপরেখা হিসেবে উপস্থাপন করা হবে এবং এতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা থাকবে। ন্যায়বিচার, আইনের শাসন, মানবাধিকার রক্ষা, নারীদের নিরাপত্তা, ধর্মীয় স্বাধীনতা, সাংবিধানিক, প্রশাসনিক ও সামাজিক বিষয়ে মূলনীতি ধরে অন্তত ১১টি মৌলিক বিষয় সামনে এনে নির্বাচনী ইশতিহার ঘোষণা করা হতে পারে। - এ ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে- ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, হেলথ কার্ড, তথ্যপ্রযুক্তি, শিক্ষাব্যবস্থা, ক্রীড়া, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ নিরাপদ জনজীবন, পরিবেশ, ধর্ম, মিডিয়া কমিউনিকেশন বিষয়ে। এ ছাড়া বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অতি সাম্প্রতিককালের নানা বক্তব্যও দিকনির্দেশনা হিসেবে প্রতিফলিত হবে ইশতেহারে।
- সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যমতে, আগামীকাল শুক্রবার রাজধানীর একটি হোটেলে জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিএনপির ইশতেহার প্রকাশ করা হবে। এমন তথ্য জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি আরও বলেন, ইশতেহারে যেসব বিষয় প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে, সেগুলো দেশের সংবিধান, প্রচলিত শ্রম আইন, রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও ইশতেহার প্রণয়ন কমিটির সদস্য ড. মাহদী আমিন এ প্রসঙ্গে বলেন, ইতোমধ্যে ইশতেহারের কাজ গুছিয়ে এনেছে বিএনপি। ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে দেশের বিশিষ্ট নাগরিক, ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি ও কূটনীতিকরা।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ সেøাগান নিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে এগিয়ে চলছে বিএনপি। দেশ-জাতির জন্য একটি পরিকল্পনা রয়েছে দলের চেয়ারম্যানের এবং তিনি গত ২৫ ডিসেম্বর দেশের মাটিতে পা রেখেই বলেছেন ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’। এরই ধারাবাহিকতায় নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে আলোচনা করছেন বিএনপির এ শীর্ষ নেতা। সেভাবেই প্রণয়ন হচ্ছে আগামী দিনের রাষ্ট্রপরিচালনার রূপরেখা। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, বিএনপির ইশতেহারে কী কী বিষয় গুরুত্ব পাচ্ছেÑ - ফ্যামিলি কার্ড : বিএনপি রাষ্ট্রপরিচলনার দায়িত্ব পেলে দেশের ৪ কোটি পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত রয়েছে। ফ্যামিলি কার্ডটি মূলত পরিবারের প্রধান নারীর নামে দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারকে মাসে দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকা এবং প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হবে। এর ফলে পরিবারগুলোর কিছু টাকা সঞ্চয় হবে। সেই সঞ্চয়ের মাধ্যমে নারী সদস্যের নেতৃত্বে আয়ের ছোট উদ্যোগ শুরু করা সম্ভব, যা হবে নারীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক সুরক্ষার একটি স্থায়ী পথ।
কৃষক কার্ড : এ কার্ড চালু হলে কৃষকরা স্বল্পমূল্যে সার, উন্নত বীজ ও কৃষিপ্রযুক্তি পাবেন। পাশাপাশি সহজে ঋণ এবং বাজারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হবে। এতে কৃষি উৎপাদন বাড়বে, কৃষকের আয় বাড়বে, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে। কৃষক বাঁচবে, বাঁচবে দেশ। সর্বশেষ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যানুযায়ী, দেশে মোট পরিবার রয়েছে ৩ কোটি ৫৫ লাখ ৫২ হাজার ২৯৬টি। এর মধ্যে কৃষক পরিবার রয়েছে ১ কোটি ৮৬ লাখ ৭০ হাজার ৫৩৯টি। অন্যদিকে দেশে কৃষিজমির পরিমাণ প্রতিনিয়তই কমছে, প্রায় ৫৬ শতাংশ কৃষিজমি উৎপাদনশীলভাবে ব্যবহার হচ্ছে না, ৪০ শতাংশ কৃষক পরিবার ভূমিহীন বর্গাচাষি, যথাযথ মজুরি পান না দেশের অর্ধেক কৃষক।
স্বাস্থ্যসেবা : প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেবে বিএনপি। ‘হেলথ কার্ড’-এর মাধ্যমে সব তথ্য লিপিবদ্ধ রাখা হবে এবং সারাদেশে শক্তিশালী প্রাইমারি হেলথ কেয়ার নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হবে। স্বাস্থ্য খাত নিয়ে যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস-এনএইচসির আদলে ‘সর্বজনীন স্বাস্থ্যব্যবস্থা’ প্রত্যেক নাগরিকের জন্য বিনামূল্যে প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা, স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৫ শতাংশের বেশি বরাদ্দ, প্রতিটি গ্রামে একাধিক পল্লী চিকিৎসক নিয়োগ, চিকিৎসা গবেষণা সুবিধা নিশ্চিত, ২৪ ঘণ্টা হেল্পলাইন, জেলাপর্যায়ের হাসপাতাল ও বিশেষায়িত স্তরের স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালীকরণ, চিকিৎসাসেবা আরও উন্নত করার লক্ষ্যে স্বল্পমেয়াদি (এক থেকে তিন বছর), মধ্যমেয়াদি (এক থেকে পাঁচ বছর) ও দীর্ঘমেয়াদি (১০ বছর পর্যন্ত) প্রতিশ্রুতি থাকছে। এ ছাড়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে সারাদেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। প্রাধান্য পাবেন নারীরা। পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ধরনের অন্তত ১ লাখ দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। যার ৮০ শতাংশই হবেন নারী। যাতে নারী ও শিশুদের সেবা আরও সহজে পাওয়া যায়। - শিক্ষা : চাহিদাভিত্তিক শিক্ষা এবং দক্ষতা ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার মাধ্যমে তরুণদের ভবিষ্যৎ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে বিএনপির। প্রাথমিক শিক্ষায় বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। প্রাথমিক থেকেই দক্ষ করে তুলতে বাংলা, ইংরেজি ভাষার বাইরেও একাধিক ভাষা শেখানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে। শিক্ষকদের অবস্থান ও আর্থিক সুরক্ষা উন্নত করা হবে। পাঠ্যক্রমের সঙ্গে শিল্প ও কর্মক্ষেত্রের বাস্তব যোগসূত্র তৈরি করা হবে। শুধু সার্টিফিকেট নয়, কাজের দক্ষতা বাড়ানোই হবে বিএনপির মূল লক্ষ্য হবে।
কর্মসংস্থান : ইপিজেড-কেইপিজেডের মতো অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে। শিল্পকে আধুনিক করা হবে। আমদানি কমিয়ে রপ্তানি বাড়াতে হবে। এসএমই, ব্লু ইকোনমি, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও আইসিটি খাতে ব্যাপক নতুন চাকরির সুযোগ তৈরি করা হবে। তথ্যপ্রযুক্তি, ই-কমার্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সাইবার নিরাপত্তা, গেমিং ও স্টার্টআপ খাতকে কর্মসংস্থানের প্রধান উৎসে পরিণত করবে।
ক্রীড়া : ক্রীড়াকে শুধু শখ নয়, পেশা হিসেবেও গ্রহণযোগ্য করতে বিএনপি সর্বস্তরের খেলাধুলার মান উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেবে। স্কুল ও কলেজে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করা হবে এবং পর্যাপ্ত ক্রীড়া শিক্ষক ও প্রশিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।
পরিবেশ : বিএনপি নবায়নযোগ্য শক্তি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও রিসাইক্লিং বাড়িয়ে প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা করবে। পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন বাড়াতে এবং মৌসুমি বন্যা থেকে মানুষকে রক্ষা করতে সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখনন করা হবে।
ধর্ম : বিএনপির পরিকল্পনা প্রতিটি মসজিদের খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্যান্য ধর্মের পুরোহিত, পাদ্রিসহ ধর্মীয় নেতারা মাসিক ভিত্তিতে সম্মানী পাবেন, যাতে তাদের জীবনমান উন্নত হয়। ধর্মীয় উৎসব ও বিশেষ অনুষ্ঠানে আর্থিক সুবিধা ও সহায়তা প্রদান করা হবে।
মিডিয়া কমিউনিকেশন : এ ছাড়া মিডিয়া কমিশন গঠন করে তথ্য ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণে উদ্যোগ নেবে বিএনপি।
দলীয় সূত্রে প্রাপ্ত বার্তা বলছে, এবারের ইশতেহারে জুলাই সনদ এবং তরুণ প্রজন্মের আকাংক্ষাকেও সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, প্রশাসন বিকেন্দ্রীকরণ, মানবাধিকার রক্ষা, দুর্নীতিবিরোধী কাঠামো শক্তিশালীকরণ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি প্রাধান্য পাবে। বেগম খালেদা জিয়ার বলা ‘বিদেশে আমাদের বন্ধু আছে, প্রভু নেই’ নীতিতে প্রাধান্য দিয়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নে মনোযোগ দেওয়া হবে বিএনপির পররাষ্ট্রনীতি। তদুপরি নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা, স্বচ্ছ প্রশাসন ও জাতীয় অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের বিষয়ও ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত থাকবে। বিশেষ করে প্রযুক্তিনির্ভর স্টার্টআপ, ফ্রিল্যান্সিংসহ ক্রিয়েটিভ ইকোনমিক, কওমি মাদ্রাসা উন্নয়ন, ইসলামিক গবেষণা তহবিল গঠন, ধর্মীয় শিক্ষা আধুনিকায়ন ও ধর্মচর্চার বাধাহীন পরিবেশ নিশ্চিত করার অঙ্গীকার, কর্মক্ষেত্রে সমান সুযোগ, নারী উদ্যোক্তা তহবিল, মাতৃত্বকালীন ভাতা বৃদ্ধি, সংখ্যালঘুদের সম্পত্তি দখল রোধে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল, নিরাপত্তা সেল, বয়স্কভাতা বৃদ্ধি, গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ ও সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি শক্তিশালী করার অঙ্গীকার, উৎসবে রাষ্ট্রীয় সহায়তা ও সাম্প্রদায়িক হামলা প্রতিরোধে কঠোর কার্যক্রম চালুর বিশেষ অগ্রাধিকারের প্রতিশ্রুতি থাকবে।
সূত্র জানায়, যুবসমাজকে টার্গেট করে বড়পরিসরে কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি যুক্ত করছে ইশতেহারে। ১ কোটি নতুন চাকরি, স্টার্টআপ ফান্ড, আইটি প্রশিক্ষণ, বিদেশে নতুন শ্রমবাজার ও মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স।
‘ধানের শীর্ষের অঙ্গীকার-দেশের প্রযুক্তি গড়বে আন্তর্জাতিক বাজার’-এ সেøাগানে সফটওয়্যার, অ্যাপ ও হার্ডওয়্যার শিল্পে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকারও যুক্ত হবে আসন্ন নির্বাচনের ইশতেহারে। সেøাগান হবে ‘ধানের শীর্ষের অঙ্গীকার-নিরাপদ হবে সাইবার স্পেস, রক্ষা হবে নাগরিক অধিকার।’ বিএনপি সরকার গঠনের সুযোগ পেলে ‘ক্লাউড-ফার্স্ট’ কৌশলে দেশের প্রথম এআই-চালিত ডেটা সেন্টার ক্যাম্পাস স্থাপন করা হবে। সেøাগান হবে ‘ধানের শীষের অঙ্গীকার-দেশের প্রথম এআই-চালিত ডেটা সেন্টার।’
দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ও দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আমাদের সময়কে বলেন, এবারের ইশতেহার খুবই বাছাইকৃত হবে। বিএনপি এবার বাস্তবধর্মী ও জনকল্যাণমুখী ইশতেহার ঘোষণা করবে। যে ইশতেহারে দেশের প্রতিটি জনপদের মানুষের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটবে, যোগ করেন তিনি।
প্রসঙ্গত, জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালের ৩০ এপ্রিল একটি রাজনৈতিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচি নিয়ে ১৯ দফা ঘোষণা করেন। এ ছাড়া ২০১৭ সালের ১০ মে খালেদা জিয়া ‘রেইনবো নেশন’ বা রঙধনু জাতি গড়ার ঘোষণা দিয়ে ভিশন ২০৩০ রূপকল্প ঘোষণা করেন। এরপর তিন বছর আগে তারেক রহমান রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা রূপরেখা ঘোষণা দেন। এ কর্মসূচির মাধ্যমে জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী অনেক দলকে একই প্ল্যাটফর্মে আনতে সক্ষম হন তিনি। বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ‘জাতীয় ঐকমত্য’ সরকার প্রতিষ্ঠার কথাও এতে উল্লেখ করা হয়। সবকিছুর সমন্বয়েই আসছে এবার বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার।
বিএনপি
