UsharAlo logo
, |

বিরোধ মীমাংসায় শামারুহ মির্জার সুনির্দিষ্ট কিছু প্রস্তাব

ঊষার আলো রিপোর্ট
সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬ ৩:১৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

দেশের বর্তমান সামাজিক ও প্রশাসনিক বাস্তবতায় সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন যন্ত্রণার চিত্র তুলে ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি দীর্ঘ ও তাৎপর্যপূর্ণ পোস্ট দিয়েছেন ড. শামারুহ মির্জা।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এই পোস্টে তিনি গ্রামীণ জনপদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা থেকে শুরু করে দীর্ঘমেয়াদী পারিবারিক ও সামাজিক বিরোধের অন্যতম প্রধান কারণ ‘জমিজমা সংক্রান্ত দ্বন্দ্ব’ নিয়ে অত্যন্ত সুচিন্তিত মূল্যায়ন তুলে ধরেছেন, যা এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।

​ড. শামারুহ মির্জার সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবসমূহ

​সংযুক্ত ফেসবুক পোস্টে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জনস্বাস্থ্য ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব বা অনুরোধ রেখেছেন স্বাস্থ্যসেবা জোরদার: হামের টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করার পাশাপাশি প্রয়োজনে প্রণোদনা দেওয়ার কথা বলেছেন তিনি। একই সঙ্গে গ্রামগঞ্জের প্রতিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জরুরি ভিত্তিতে অতিরিক্ত ট্রেইন্ড স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ এবং গবাদিপশুর টিকাদান কর্মসূচি নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন।

​বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ: টিকাদান ও জনসচেতনতা কার্যক্রমে প্রয়োজনে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্পৃক্ত করে ফলোআপ কর্মসূচি গ্রহণের তাগিদ দিয়েছেন।

 টিকাদান কর্মসূচি প্রচারে গণমাধ্যমকে ব্যাপকভাবে ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

​জিরো টলারেন্স নীতি: জমি দখলকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের ভাঙচুর বা সহিংস ঘটনায় প্রশাসনকে জিরো টলারেন্স নীতি প্রদর্শনের অনুরোধ জানিয়েছেন।

​পোস্টটির গুরুত্বপূর্ণ অংশজুড়ে রয়েছে বাংলাদেশে বিরোধের অন্যতম প্রধান কারণ— জমিজমা নিয়ে দীর্ঘমেয়াদী দ্বন্দ্ব। গত ৫ আগস্টের পর থেকে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জমি নিয়ে শত শত অনুরোধ পাওয়ার অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন, ভাইয়ে ভাইয়ে, কাজিনদের মধ্যে, কিংবা শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়স্বজন থেকে শুরু করে প্রতিবেশী বা ব্যবসায়িক অংশীদার— কাউকেই যেন এই বিরোধের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া যায় না।

​তীব্র আক্ষেপ প্রকাশ করে তিনি লেখেন, একটা জিনিস খুব কাছ থেকে দেখেছি, জমির ব্যাপার হলে মানুষ সহজে ছাড়ে না। বছরের পর বছর বিরোধ চলে, সম্পর্ক নষ্ট হয়, আর অনেক সময় মানুষের সবচেয়ে কুৎসিত দিকটা বেরিয়ে আসে।

​বিশ্লেষকদের মতে, একজন সচেতন নাগরিক ও গবেষক হিসেবে শামা রুহ মির্জা যেভাবে তৃণমূলের এই না বলা কথাগুলো এবং জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক শৃঙ্খলার বিষয়টি সামনে এনেছেন, তা বর্তমান সমাজে আত্মোপলব্ধির জায়গা থেকে অত্যন্ত সময়োপযোগী।

ঊষার আলো-এসএ