জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে পুরান ঢাকার এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীর দাবি, বাগবিতণ্ডার জেরে তাকে মারধর করা হয়। তাকে উদ্ধারে জবির দুই শিক্ষার্থী গেলে তাদেরও আটক করে মারধর রাখা হয়।
সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর ধোলাইখাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মারধরের শিকার ওই শিক্ষার্থীর নাম সম্রাট। তিনি জবির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ১৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। অভিযুক্ত শহিদুল হক শহীদ ৩৮ নাম্বার ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি। তিনি নবাবপুর দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদেও রয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে ধোলাইখাল এলাকার একটি মার্কেটের সামনে দিয়ে যাচ্ছিল সম্রাট। এ সময় ভুলবশত নির্মাণাধীন এক ঢালাইয়ের ওপরে পা দেন তিনি। এতে স্থানীয়রা তার ওপর চড়াও হন। স্থানীয়রা তাকে ধাক্কা দিলে তিনি প্রতিহতের চেষ্টা করে। একপর্যায়ে যুবদল নেতা শহীদের নেতৃত্বে সম্রাটকে মারধর করা হয়। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বিষয়টি তার সহপাঠীদের ফোন দিলে হাবিবসহ দুজন ঘটনাস্থলে আসেন। ওই দুই শিক্ষার্থীকেও আটকে মারধর করা হয়।
এদিকে এ ঘটনার সংবাদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে জবি শিক্ষার্থীরা পুরান ঢাকার নবাবপুর এলাকার একটি ক্লাব ভাঙচুর করে। পরে রাত ১টার দিকে ওয়ারী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।
ঊষার আলো-এসএ