যশোরে অপহৃত সেই ওষুধ ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম ৯ দিন পর অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার হয়েছেন।বুধবার গভীর রাতে চৌগাছা উপজেলার পাশাপোল ইউনিয়নের খলশি গ্রামের একটি নির্জন ইটভাটা থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় র্যাব-৬ যশোরের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করেন। রাত সাড়ে ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত চলে র্যাবের এই শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান।রাত সাড়ে ১২টায় তাকে যশোর র্যাব ক্যাম্পে আনা হয়।পরবর্তীতে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, কোটি টাকা মুক্তিপণের দাবিতে গত ২ মার্চ রাতে জাহাঙ্গীর অপহরণ হন।অভিযানে নেতৃত্বদানকারী র্যাব-৬ যশোরের কোম্পানি কমান্ডার মেজর এ.টি.এম ফজলে রাব্বী প্রিন্স জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার দিবাগত গভীর রাতে চৌগাছা উপজেলার খলশি গ্রামের একটি ইটভাটায় অভিযান চালান তারা।সেখান থেকে হাত-পা বাঁধা ও বিধ্বস্ত অবস্থায় জাহাঙ্গীর আলমকে উদ্ধার করা হয়।উদ্ধারের পর তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে অপহরণকারীদের অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। অপহরণের সঙ্গে জড়িত পুরো চক্রটিকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।দ্রুতই এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।যশোর শহরের শংকরপুর পশু হাসপাতালের সামনে জাহাঙ্গীর আলমের ‘আর আর মেডিকেল’ ও ‘জে আর অ্যাগ্রোভেট’ নামে দুটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। ঘটনার রাতে দোকান বন্ধ করে মোটরসাইকেলে করে ধর্মতলা সুজলপুর এলাকার নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি।পথিমধ্যে দুর্বৃত্তরা তার পথরোধ করে জোরপূর্বক একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়।এরপর রাত ১০টার দিকে অপহরণকারীরা জাহাঙ্গীরের মোবাইলফোন দিয়ে তার মা ও স্ত্রীর কাছে কল করে তাকে জীবিত ফেরত পেতে এক কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।এসময় বিষয়টি পুলিশকে না জানাতেও হুমকি দেওয়া হয়।
অপহরণের পর দীর্ঘ সময় পার হলেও পুলিশের পক্ষ থেকে কার্যকর ফলাফল না পেয়ে গত ৪ মার্চ (বুধবার) বিকেলে যশোর প্রেসক্লাবে আবেগঘন সংবাদ সম্মেলন করেন জাহাঙ্গীরের স্ত্রী রেশমা খাতুন। সংবাদ সম্মেলনের পর নড়েচড়ে বসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
