ধূমপান ছাড়ার ঘরোয়া কৌশল

সর্বশেষ আপডেটঃ
32
0
ছবি: ধুমপান থেকে বাচার উপায়

ঊষার আলো রিপোর্ট : ধূমপান ছাড়তে চাইলেও অনেকে নানা অজুহাতে ছাড়তে পারছেন না। এটি বাদ দেওয়ার কয়েক দিনের মাথায় আবার ফুঁকতে শুরু করে দেন। ধূমপান ছাড়তে হলে যেমন মানসিক শক্তির দরকার ঠিক তেমনি কিছু নিয়ম মেনে চলা দরকারও বটে। মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা ও উদ্বেগের মতো সমস্যাগুলো কাটাতে অনেকে ধূমপানে আসক্ত হয়ে পড়েন।
তামাকে থাকা নিকোটিন যে আসক্তি তৈরি করে সেটি থেকে সহজে মুক্তি মেলে না। ধূমপানের কারণে মানবদেহে বাসা বাঁধে ক্যান্সারসহ আরও অনেক জটিল জটিল রোগ। ক্যান্সারের কথা জনলেও শুধু অভ্যাসের কারণেই অনেকে ধূমপান ছাড়তে পারেন না। এই নেশার প্রবল আকর্ষণ প্রতিনিয়ত মানুষকে মরণের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এ থেকে বাচতে হলে অবশ্যই ঘরোয়া কিছু পদ্ধতি মেনে চলতে হবে। আসুন জেনে নিই ধূমপান ছাড়ার কিছু কৌশল-
#দীর্ঘদিন যাবৎ সিগারেট খেলে শরীরের একেবারে ভেতর পর্যন্ত চলে যায় নিকোটিন। শরীরে টক্সিন হিসেবে জমতে থাকা নিকোটিনকে ধুয়ে বার করে দিতে পানির কোনো বিকল্প নেই। ধূমপান ছাড়তে অনেক পানি পান করতে হবে।
# আদাতে উপস্থিত বেশ কিছু উপাদান নানাভাবে সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছাকে দমিয়ে দেয়। আদা চা অথবা কাঁচা আদা খেতে পারেন।
# নিকোটিনের মতো টক্সিনের সাথে লড়াই করতে প্রতিদিন ভিটামিন এ, সি এবং ই সমৃদ্ধ ক্যাপসুল বা খাবার খান। এতেকরে নেশা কমে যাবে সিগারেটের।
# আঙুরের রস খেতে পারেন। এটি নিকোটিনের কারণে শরীরের ভেতরে জমতে থাকা টক্সিন দূর করে ফুসফুসের কার্র্যক্ষমতা বাড়ায়। সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছাও কমতে শুরু করে।
#ধূমপানের নেশা ছাড়াতে ওটস খেতে পারেন। ২ কাপ ফোটানো পানির সাথে এক চামচ ওটস মিশিয়ে সারা রাত রেখে দিন। পর দিন সকালে আবার দশ মিনিট ফুটিয়ে নিয়ে প্রতিটি খাবারের পর অল্প করে খেতে থাকুন। এতে শরীর থেকে নিকোটিন বেরিয়ে যাবে। সেই সাথে কমে যাবে সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছাও।
#মধুতে থাকা ভিটামিন, এনজাইম ও প্রোটিন শরীর থেকে নিকোটিন বের করে দেয় এবং সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছাকেও নিয়ন্ত্রণে করে।

# নিকোটিনযুক্ত সিগারেট খাওয়ার কারনে শরীরে যে অ¤ø ভাব সৃষ্টি হয়, মুলা খেলে এতে প্রভাব পড়ে। মুলার জুস করে তাতে মধু মিশিয়ে খেল ভালো ফল পাওয়া যায়।
# ১ চামচ জিনসেং পাউডার জুসে বা সুপে মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খেলে সারা দিনের জন্য সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছা চলে যায়। ফলে নেশার ফাঁস ধীরে ধীরে আলগা হতে শুরু করে।
#নিয়মিত মরিচের গুঁড়া যদি খাওয়া যায়, তাহলে ফুসফুসের ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। একই সাথে ধূমপানের ইচ্ছাও কমতে থাকে। খাবারের মধ্যে বা এক গ্লাস পানিতে অল্প পরিমাণ মরিচের গুঁড়া ফেলে সেই পানি পান করলে দারুণ উপকার পাওয়া যেতে পারে।

(ঊষার আলো-আরএম)

+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ