২০ হাজার ইয়াবা মিলল বাসের স্পিকারে!

সর্বশেষ আপডেটঃ
58
0

ঊষার আলো রিপোর্ট : রাজধানীতে চালক, হেলপার আর সুপারভাইজারের যোগসাজশে ইয়াবার বড় বড় চালান ঢুকছে। নিরাপদে মাদকের চালান গন্তব্যে পৌঁছে দিতে ব্যবহৃত হচ্ছে বিলাসবহুল কোচ সার্ভিস গুলো। পুলিশ বলছে, সুনির্দিষ্ট তথ্যের অভাবে অনেক চালান হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে তাদের।
বিলাসবহুল একটি কোচ সার্ভিসে অভিযান চালিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ। মিয়ামি পরিবহনের এই কোচটিতে ইয়াবার একটি বড় চালানের তথ্য ছিল গোয়েন্দাদের কাছে। তল্লাশির একপর্যায়ে হেলপার বলেন ইয়াবা লুকিয়ে রাখা হয়েছে স্পিকারের ভেতরে।
স্পিকারের ভেতর থেকে একের পর এক বেরিয়ে আসতে থাকে ইয়াবার পুঁটলি। উদ্ধার করা হয় ২০ হাজার পিস ইয়াবা।
কক্সবাজার থেকে ঢাকার আব্দুল্লাহপুরে ১ মাদক কারবারির কাছে চালানটি পৌঁছানোর কথা ছিল। বাসের হেলপার দাবি করেছে চালক এবং সুপারভাইজার বড় অঙ্কের টাকার বিনিময়ে দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা পরিবহন করে আসছে।
ওই বাসের হেলপার বলেছে, চালক এবং সুপারভাইজার বড় অংকের টাকার বিনিময়ে দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা পরিবহন করে আসছে। তবে চালকের দাবি উল্টো। হেলপার আর সুপারভাইজারে ওপর দায় চাপিয়ে বলছে তিনি এর কিছুই জানেন না।
তবে চালকের দাবি উল্টো। হেলপার আর সুপারভাইজারের ওপর দায় চাপিয়ে বলছে তিনি এবিষয়ে যানেন না।
এই বাসটি দিয়ে এর আগেও আরোও ২০টি ইয়াবার চালান পরিবহনের তথ্য পেয়েছে পুলিশ।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উত্তরা বিভাগের অতিরিক্ত উপ কমিশনার বদিরুজ্জামান জিলু বলেছেন, মাদক আসছে এমন তথ্য পাওয়ার পর অভিযান চালানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা যায় ১৯ থেকে ২০ বার এভাবে তারা ইয়াবার চালান এনেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, সুনির্দিষ্ট তথ্যের অভাবে সব চালান তাদের পক্ষে ধরা সম্ভব হয় না। ফলে করোনাকালেও অপ্রতিরোধ্য মাদক চোরাচালানের বাজার।
মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি জারি রয়েছে অনেক আগে থেকেই। তারপরেও মাদক কারবারিদের নতুন নতুন কৌশলের কাছে মার খাচ্ছে সব উদ্যোগ।

(ঊষার আলো- এম.এইচ)

+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ