আইসিইউ শয্যা আছে নেই মনিটর ও ভেন্টিলেটর

সর্বশেষ আপডেটঃ
56
0
KMCH_Ualo
ছবি : খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল - সংগৃহিত

খুমেকের করোনা ইউনিট

বিশেষ প্রতিনিধি : করোনা রোগীদের চিকিৎসা দিতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০ আইসিইউ শয্যা আনা হয় গতবছর। শয্যা আনলেও আইসিইউর জন্য প্রয়োজনীয় মনিটর এবং রোগীর কৃত্রিম শ^াস-প্রশ^াস পরিচালনার জন্য ভেন্টিলেটর মেশিন আনা হয়নি। ফলে অচল অবস্থায় পড়ে আছে শয্যাগুলো।
খুলনা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, গতবছর করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য ডায়াবেটিক হাসপাতালকে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে রূপ দেওয়া হয়। ২০২০ সালের ১ এপ্রিল থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত সেখানে চিকিৎসা কার্যক্রম চলে।
রোগী কমে যাওয়ায় খুলনার ডেডিকেটেড (ডায়াবেটিক) করোনা হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয় গত ১ ডিসেম্বর থেকে। এরপর থেকে খুমেক হাসপাতালের আইসিইউ ভবনের দ্বিতীয় তলায় নতুন করোনা ইউনিট খোলা হয়। এরপর থেকে গত ৪ মাস ধরে সেখানেই চলছে করোনা চিকিৎসা কার্যক্রম। আর চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে সেখানে আগের ১০টি আইসিইউর সঙ্গে আরও ১০টি আইসিইউ শয্যা আনা হয়।
হাসপাতাল থেকে জানা গেছে, গতবছরের অভিজ্ঞতায় করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে করোনা ইউনিটে আরও ১০টি আইসিইউ শয্যা আনা হয়েছে। কিন্তু মনিটর ও ভেন্টিলেটরের অভাবে সেগুলো চালু করা যাচ্ছে না। সরকারি ও কয়েকজন ব্যক্তি পর্যায়ে হাসপাতালে ৫টি হাইফো নেসাল ক্যানোলা দিয়েছিলো। সংস্কারের অভাবে সেগুলো এখন অকেজো প্রায়।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. এ টি এম মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, এখন ২০টি আইসিইউ শয্যা আছে। যার মধ্যে ১০টি পুরোপুরি চালু। বাকিগুলোতে মনিটর-ভেন্টিলিটরসহ কিছু যন্ত্রপাতি প্রয়োজন। জরুরীভাবে যন্ত্রপাতিসহ আরও ১৫টি আইসিইউ শয্যা চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। দ্রুত এগুলো পাওয়া বলে আমরা আশাবাদী। তখন চিকিৎসার কোনো সংকট থাকবে না।
খুলনার স্বাস্থ্য বিভাগের সহকারী পরিচালক ডা. মরজুরুল মুরশিদ জানান, খুলনায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩১ জন ব্যক্তি করোনা আক্রান্ত হয়েছে। গত ৮ দিনে মারা গেছেন ৭ জন। বর্তমানে হাসপাতালে রয়েছেন ২৯ জন রোগী।

+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ