যশোরের নারীকে চাঁদপুরে সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

সর্বশেষ আপডেটঃ

যশোর প্রতিনিধি : যশোর শহরের লোন অফিসপাড়ার এক নারীকে সঙ্ঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এক ডাক্তারসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী নারী।

রোববার (২২ জানুয়ারি) যশোরের আদালতে এ মামলা করেন তিনি।

মামলার পর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মো: গোলাম কবির সিআইডি যশোরকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

আসামিরা হলেন কুমিল্লার লাঙ্গলকোট উপজেলার দেবনডাল গ্রামের ডাক্তার দেবু চন্দ্র মজুমদারের ছেলে ডাক্তার রনি চন্দ্র মজুমদার, চাঁদপুরের হাজিগঞ্জ উপজেলার নাটেহরা গ্রামের মরহুম খোরশেদ আলমের ছেলে আরিফ খন্দকার ও ঢাকার পূর্ব রামপুরা জামতলী এলাকার রাজা দে।

ওই নারী মামলায় উল্লেখ করে বলেন, আসামি আরিফ খন্দকারের সাথে তার ফেসবুকে পরিচয় হয়। কথাবার্তার একপর্যায়ে তাদের মধ্যে তৈরি হয় প্রেমের সম্পর্ক। গত বছরের ১৭ নভেম্বর আরিফ যশোরে এলে ওই নারীর সাথে দেখা করেন। পরের দিন বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভিকটিমকে চাঁদপুরের হাজিগঞ্জে নিয়ে যান। সেখানে আরিফের নিজস্ব কোহিনুর আবাসিক হোটেলে নিয়ে আটকে রাখেন। পরে রাত ৯টায় তিন আসামিই তার কাছে যান।

সেখানে ওই নারীকে আরিফ জানান, ডাক্তার রনির কাছে তাকে চার লাখ টাকায় বিক্রি করে দেয়া হয়েছে। তাকে ভারতে পাচার করা হবে। এ কথা শোনার পর ওই নারী পালানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। ওই রাতে তাকে আসামিরা একাধিকবার সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণ করেন। ওই সময় তাকে মারপিটসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় সিগারেটের আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয়। পরের দিন কৌশলে ওই নারী পালিয়ে যশোরে চলে আসেন। যশোরে এসে পরিবার ও স্থানীয় গণ্যমান্যদের জানালে তারা আসামিদের সাথে যোগাযোগ করেন। এতে আসামিরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।

পরে আসামিরা গত ১৫ জানুয়ারি যশোরে এসে ওই নারীকে এ বিষয়ে বাড়াবাড়ি করলে হত্যা ও গুমের হুমকি দিয়ে চলে যান বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।