উপকূলীয় দুর্গত মানুষের সহায়তায় সরকারকে আরও মানবিক হতে হবে: মঞ্জু

সর্বশেষ আপডেটঃ

ঊষার আলো রিপোর্ট : কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা মহানগর সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু উপকূলীয় দুর্গত মানুষের সহায়তায় সরকারকে আরও কার্যকর মানবিক হওয়ার আহবান জানিয়ে বলেছেন, উপকূলীয় অঞ্চলের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’-এ যারা বসতবাড়ি, সহায়-সম্পত্তি হারিয়েছেন তা অপূরণীয়। ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’-এর ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার আগেই ইয়াসের ধাক্কা মানুষকে নিঃশ্ব করে দিয়েছে। এ যেন ‘মরার উপর খাড়ার ঘা’। ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট অঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই। কিন্তু সরকারের ত্রাণ তৎপরতার অপ্রতুলতার কারণে মানুষের দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে। সরকারের দায়িত্ব ছিলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের এসব ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন করে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। কিন্তু সরকারের উদাসীনতার কারণে এখনো ক্ষতিগ্রস্ত মানুষগুলো উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সাহায্য-সহযোগিতা পায়নি। খুলনা উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্নিঝড় ইয়াসে বিধ্বস্ত মানুষদের মানবিক সহায়তা প্রদানের জন্য খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির গঠিত ত্রাণ সহায়তা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রবিবার (৬ জুন) দুপুর ১২টায় বিএনপি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি আরও বলেন, প্রাকৃতিক এই দুর্যোগ মোকাবেলায় সার্বিকভাবে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে সরকার। ক্ষমতাসীনরা আজ জনগণের মৌলিক চাহিদাগুলো পুরণ করতেও সম্পূর্নভাবে ব্যর্থ হয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্দ্ধগতির ফলে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। সীমাহীন দুর্নীতি ও লুটপাটের কারণে দেশের অর্থনৈতিক সেক্টর এখন ধ্বংসের মুখোমুখি। বিগত বছরগুলোতে উপকূলীয় অঞ্চলের বাঁধ নির্মানের নামে শাসকদলের জনপ্রতিনিধি ও নেতাকর্মীরা নিজেদের ভাগ্যেরই পরিবর্তন করেছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আর্দশের অনুসারীরা সবসময় অসহায় দুর্গতদের পাশে ছিলো এবং ভবিষতেও থাকবে। এই দুঃসময়ে দলীয় নেতাকর্মীসহ সমাজের বিত্তশালীদেরও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানিয়েছেন সাবেক এই সংসদ সদস্য। ত্রান কমিটির জেলা শাখার আহবায়ক ও জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক আমির এজাজ খানের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, শেখ মোশাররফ হোসেন, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, এড. ফজলে হালিম লিটন, এড. বজলুর রহমান, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, শেখ আব্দুর রশিদ, মোল্যা খায়রুল ইসলাম, আব্দুর রকিব মল্লিক, অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম বাবুল, আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, আবু হোসেন বাবু, মো. মাহবুব কায়সার, আসাদুজ্জামান মুরাদ, জিএম কামরুজ্জামান টুকু, ইকবাল হোসেন খোকন, এড. গোলাম মওলা, শেখ সাদী, শাহিনুল ইসলাম পাখি, ইউসুফ হারুন মজনু, সাজ্জাদ আহসান পরাগ, একরামুল কবির মিল্টন, মুজিবর রহমান ফয়েজ, মিজানুর রহমান মিলটন, নাজমুল হুদা সাগর, শরিফুল ইসলাম বাবু, আবু সাঈদ শেখ, নাজির উদ্দিন নান্নু, বদরুল আনাম, আহসানউল্লাহ বুলবুল, তরিকুল ইসলাম তরু, ইশহাক তালুকদার, হাফিজুর রহমান মনি, মেজবাহ উদ্দিন মিজু, জাহিদ কামাল টিটো, আসলাম হোসেন, রবিউল ইসলাম রবি, নাসির খান, বাচ্চু মীর, মেহেদী হাসান সোহাগ, তৌহিদুর রহমান খোকন, মোল্যা ফরিদ আহমেদ, এড. আবুল হোসেন, রিয়াজুর রহমান, মোস্তফা কামাল, আব্দুর রহমান, শেখ হেমায়েত হোসেন, আব্দুল মান্নান, এস এম এনামুল হক, মোল্যা কবির হোসেন, তানভিরুল আজম রুম্মান, রাহাত আলী সাচ্চু, শামসুল বারী পান্না, এনামুল হক সজল, ইকবাল হোসেন, সিরাজুল ইসলাম লিটন, আবু বক্কর, জামাল উদ্দিন মোড়ল, জাহিদুর রহমান রিপন, জাকারিয়া লিটন, শফিকুল ইসলাম শফি, শাকিল আহমেদ, হুমায়ুন কবির, লিটু পাটোয়ারী, নাজমুল হাসান নাসিম, শামীম আশরাফ, শরিফুল ইসলাম সাগর, আল আমিন তালুকদার প্রিন্স, রাজিবুল আলম বাপ্পী, বাবুল রানা, এম এ হাসান প্রমুখ।

(ঊষার আলো-এমএনএস)