খুলনায় করোনা চিকিৎসায় শয্যাসংখ্যা বৃদ্ধিসহ সংকট নিরসনের দাবি বিএনপির

সর্বশেষ আপডেটঃ

ঊষার আলো ডেস্ক : খুলনায় করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে শয্যা, অক্সিজেন, চিকিৎসক ও জনবলের শঙ্কটে গভীর উদ্বেগ ও বিস্ময় প্রকাশ করেছে খুলনা মহানগর বিএনপি।

শুক্রবার (১১ জুন) এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন গত বছর (২০১৯) মার্চ মাসে প্রথম করোনার সংক্রমন শুরু হলেও খুলনার সংশ্লিষ্টরা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে স্থায়ী অক্সিজেন প্লান্ট স্থাপন, সাধারন ও আইসিইউ শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি, প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও জনবল নিয়োগে উদাসিনতায় পরিচয় দেয়ায় বর্তমানে ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া প্রতিবেশী রাষ্ট্রে করোনার সংক্রমন মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধির পরেও সীমান্তে সংক্রমন বহনকারীদের আটকাতে উদাসীনতার কারনে বর্তমানে শঙ্কট প্রকট আকার ধারন করেছে। একমাত্র সরকারের ব্যর্থতার কারণেই আজ স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ভঙ্গুর অবস্থা ফুটে উঠেছে এবং সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, করোনার সংক্রামন নিয়ন্ত্রনে রাখতে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ কেবল কেতাবী ভাষায় পরিনত হওয়ায় খুলনার অবস্থা এখন অত্যান্ত ঝুঁকিপুর্ন। অবিলম্বে খুলনায় করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি, স্থায়ী অক্সিজেন প্লান্ট স্থাপন এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও নার্সের সংখ্যা বৃদ্ধিসহ মানসম্মত করোনা চিকিৎসা নিশ্চিতকরণের খুলনা জেনারেল হাসপাতালে আরো একটি ডেডিকেটেড ইউনিট তৈরীর আহবান জানিয়েছেন। অপরদিকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দিয়ে করোনা প্রতিরোধ ও মনিটরিং সেল গঠনের দাবি জানিয়ে সীমান্তে আরো কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন ও খুলনায় বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে কঠোর হওয়ার জন্য সংশ্লিদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
বিবৃতিদাতারা হলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশাররফ হোসেন, জাফরউলাহ খান সাচ্চু, জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, এড. ফজলে হালিম লিটন, এড. বজলুর রহমান, এড. এস আর ফারুক, স ম আব্দুর রহমান, শেখ ইকবাল হোসেন, শেখ জাহিদুল ইসলাম, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, মো. মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এস এম আরিফুর রহমান মিঠু ও ইকবাল হোসেন খোকন প্রমুখ।