খুলনা যশোর মহাসড়কের দু’পাশে গাছের গুড়ি রেখে দখল : দুর্ঘটনার শঙ্কা

সর্বশেষ আপডেটঃ
57
0

ঊষার আলো প্রতিবেদক : খুলনা যশোর মহাসড়কের দৌলতপুর থানা এলাকার দৌলতপুর রেলস্টেশনের সম্মুখ হতে রেলগেট, মানিকতলাস্থ খুলনা যশোর মহাসড়কের দু’পাশ জুড়ে এ সকল এলাকার কাঠব্যবসায়ী ও ছ-মিলের মালিকেরা সম্পূর্ন দখল করে রেখেছে। সড়ক বিভাগের নির্দেশনার তোয়াক্কা না করে বছরের পর বছর সড়কের পাশের ফুটপথ দখল করে দিদারছে ব্যবসা করে যাচ্ছে।
এলাকাবাসী জানান, সড়কের সাথে গাছের লক রাখায় সড়ক দিয়ে চলাচলরত বাস, ট্রাকসহ মাঝারী, ছোট বড় যান চলাচলের সময় ওভারট্রেকিং করার কারণে অনেক সময় এ যানগুলো চাপ খেয়ে ফুটপথে নেমে যাওয়ায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে এ সকল যানগুলো। খুলনা সড়ক বিভাগ পাওয়া সূত্রে, মহাসড়কের পাশে রাখা গাছের লকগুলো সড়িয়ে নেওয়ার জন্য লিখিত নোটিশ করলেও অপসারণের ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়নি সড়ক বিভাগের জায়গা অবৈধভাবে দখল করা মালিকেরা।
পথচারী শাহিন বলেন, মেইন সড়কের পাশের ফুটপথ সম্পূর্ণভাবে বিপজ্জনকভাবে বড় বড় গাছের লক ও গাছ রেখে ব্যবসা করছে ব্যবসায়ীসহ সমিল মালিকেরা। এতে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটে যানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। পাশাপাশি এ সড়কে যানবাহন চলাচলেও যেকোনো সময় প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হতে পারে। তাই সড়ক বিভাগের নির্দেশ অনুসারে দ্রুতই এই ঝুঁকিপূর্ণ গাছের কাঠ বা লক অপসারণ করা দাবি জানাচ্ছি। সিএনজি চালক সজিব বলেন, ইচ্ছাস্বাধীন এলোমেলো অবস্থায় এ রকম গুরুত্বপূর্ণ সড়কের পাশে এখানে-সেখানে বিপজ্জনকভাবে বড় বড় গাছের লক ও গাছ রাখা হয়েছে । এতে এ সড়কে চলাচলকারী মানুষ ও যানবাহন বিশাল ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। আমরা নিরাপদ চলাচলের জন্য এ গাছ গুলো লক সরিয়ে নেওয়ার আবেদন করছি।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কেসিসি’র ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাস্টার আব্দুস সালাম বলেন, খুলনা যশোর মহাসড়কের দৌলতপুর থানাধীন ৩নং ওয়ার্ডের মধ্যে যারা সড়ক বিভাগের জায়গা তথা ফুটপথ দখল করে গাছের বা কাঠের ব্যবসা করে আসছে , আমি একাধিক এ প্রতিষ্ঠান গুলো মৌখিকভাবে গাছের লক ও গাছের কাঠ সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলাম। কিন্তু কেউ কথা আমলে না নিয়ে নির্ভয়ে ব্যবসা করে যাচ্ছে। এ সকল প্রতিষ্ঠান অপসারণের জন্য দ্রুতই পদক্ষেপ নেওয়া হবে জানান তিনি।
খুলনা সড়ক বিভাগের প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আরিফুজ্জামান মাসুদ বলেন, মহাসড়ক হতে সড়কের দু’পাশে ৩০ ফুট জায়গা ছেড়ে দিয়ে যে কোন স্থাপনা গড়ে তুলতে হবে। এবং এ সকল স্থাপনার মালিকগনকে প্রতিষ্ঠান একাধিকবার মহাসড়কের পাশে রাখা গাছের লকগুলো সড়িয়ে নেওয়ার জন্য লিখিত নোটিশ করলে ও সড়ক দখল করে অবৈধভাবে ব্যবসা করা মালিকেরা প্রতিষ্ঠান অপসারণ করেনি। যেহেতু করোন সংক্রমন বৃদ্ধির কারণে লকডাউন চলছে, তাই লকডাউন শেষে ভ্রাম্যমান কোর্ট পরিচালনা করে অভিযান পরিচালনা করা হবে জানান এ কর্মকর্তা।

+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ