চাকরীর পরীক্ষা জেলায় গ্রহণ, ব্যাংক ড্রাফট- পে অর্ডার প্রথা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন 

সর্বশেষ আপডেটঃ

ঊষার আলো রিপোর্ট : চাকরীর নিয়োগ পরীক্ষা জেলা শহরে গ্রহণ, চাকরীর আবেদনে ব্যাংক ড্রাফট, পে-অর্ডার প্রথা বাতিলের দাবিতে বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন খুলনা জেলা ও মহানগরের উদ্যোগে এক মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার (২ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় নগরীর পিকচার প্যালেস মোড়ে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য ও খুলনা জেলা সভাপতি অ্যাড. নিত্যানন্দ ঢালী। মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ রবিউল ইসলাম রবির পরিচালনায় প্রধান বক্তা ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র খুলনা মহানগর সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. মোঃ বাবুল হাওলাদার।

অন্যান্যের মধ্যে সংহতি প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতির জেলা সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নিতাই পাল, টিইউসি’র মহানগর সভাপতি রঙ্গলাল মৃধা, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম চন্দন, সাবেক যুব ইউনিয়ন নেতা অ্যাড. সুব্রত কুন্ডু, যুব ইউনিয়নের মহানগর সভাপতি আফজাল হোসেন রাজু, জেলা সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত মুখার্জী, মহানগর সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রিয়াসাত আলী রিয়াজ, জেলা সহ-সভাপতি ধীমান বিশ্বাস, প্লাবন পাল বাধন, সাংগঠনিক সম্পাদক জামসিদ হাসান জিকু, যুব ইউনিয়ন নেতা হৃদয় সরকার, শাহ মোহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান জাহাঙ্গীর, ডাঃ গৌরাঙ্গ সমাদ্দার, মোঃ আব্দুর রহিম, ছাত্র ইউনিয়ন জেলা সাধারণ সম্পাদক সৌমিত্র সৌরভ, বিএল কলেজ শাখার সভাপতি হুজাইফা আল আমিন, কামরুন নাহার লীনা প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, একজন যুবক শিক্ষা জীবন শেষ করে যখন বেকারত্বের কষাঘাতে পিষ্ট তখন চাকরীর আবেদনে ব্যাংক ড্রাফট-পে-অর্ডার, পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ঢাকায় যাতায়াত, বড় ধরনের খরচ বহণ করার মত সামর্থ্য অধিকাংশের থাকে না। তার উপর ঘুষের প্রতিযোগিতা। বিশেষ করে অস্বচ্ছল পরিবারের সন্তানদের অনাহারে অর্ধাহারে থেকেই শিক্ষা জীবন পার করতে হয়।

এরপর চাকরীর নিয়োগ পরীক্ষায় মোটা অংকের খরচ বহণ করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ঢাকায় যাওয়া অধিকাংশের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা থাকে না। নেতৃবৃন্দ সার্বিক বিবেচনায় সরকারি চাকরীর নিয়োগ পরীক্ষা জেলা শহরে গ্রহণ এবং ব্যাংক ড্রাফট/পে-অর্ডার প্রথা অবিলম্বে বাতিলের এবং এ দাবিতে যুব ইউনিয়নের আন্দোলনের সাথে চাকরী প্রার্থী এবং অভিভাবকদের আহবান জানান। বক্তারা সমস্যা সমাধানে একটি সমাজতন্ত্র-সাম্যবাদী সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান।

(ঊষার আলো-আরএম)