নগরীতে গুড়ি-গুড়ি বৃষ্টিতে বেড়েছে জনদুর্ভোগ

সর্বশেষ আপডেটঃ

ঊষার আলো প্রতিবেদক : আকাশটা ১০ জুন সকাল হতে বেশ মেঘলা। আকাশ মেঘলা হলেও বৃষ্টি নামেনি। তবে হঠাৎ সেজে-গুজে বৃষ্টি নামতে শুরু করে সময়ের ঘড়িতে ঠিক ১১টার পর। খুব জোড়ালো বা ভারি বর্ষণ না হলেও হালকা মাঝারী বৃষ্টি চলে টানা ঘন্টা দু’য়েকের মতো। গুড়ি-গুড়ি এ বৃষ্টির কারণে বেশ দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে সাধারণ মানুষসহ কুলি-দিন-মুজুর, রিক্সাচালকসহ ছোট-ছোট যানবহনের ড্রাইভারদের। যারা করোনা প্রভাবের কারণে অতি কষ্টে দিন কাটচ্ছে। বিশেষ করে দৌলতপুর বাজারের কুলি আর বস্তাটানা শ্রমিকদের অবস্থা বেহাল। বর্তমানে দিনের অধিকাংশ সময়ই বসে থাকতে হচ্ছে। করোনার কারণে কেউ নিয়মিত বাজারে আসেনা। তাই কাজও কম। আবার সকাল হতে নামে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি। পেশ বিপাকে ফেলেছে এই নিন্ম স্তরের মানুষসহ সাধারণ মানুষকে। দীর্ঘক্ষণ বসে থাকতে হয়েছে। কেউ কেউ মাথায় পলিথিন দিয়ে বোঝা টানতে শুরু করে। বাজারে আসা একাধিক ক্রেতা বৃষ্টি থাকার অপেক্ষার পর অবশেষে ভিজতে ভিজতে বা কেউ কেউ ছাতি ব্যবহার করে রেহাই মিলিয়েছে ভেজার হাত থেকে। তবে বাজারে স্যাঁতস্যাঁতে কাদার হাত হতে রেহায় মেলেনি।
দৌলতপুর কাঁচা বাজারে আসা ক্রেতা কৃষ্ণ জানায়, গায়ে সামান্য জ্বর, বাড়িতে আর কেউ নেই। তাই নিজেকে আসতে হলো। বৃষ্টির কারণে আটকা পড়ে গেলাম। সাড়া বাজার জুড়ে স্যাঁতস্যাঁতে কাদা। বেশ নোংরা পরিবেশ। এ বৃষ্টি কারণে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে রিক্সাচালক, ইজিবাইক, মাহেন্দ্রসহ ছোট ছোট যানগুলোর ড্রাইভারদের। বৃষ্টির কারণে মেলেনি কাংক্ষিত সাড়া, তাই প্রতিদিন কিছু টাকা পকেট ভারী করে নিয়ে গেলেও গতকালের বৃষ্টি পকেটকে বেশ হালকা করে তুলে এ পেশার মানুষগুলোকে।
ইজিবাইক চালক হাসান জানান, প্রতিদিন সকালে নামি। দুপুরের আগে প্রায় সাড়ে ৩শ’ টাকার মতো ক্যাশ হয়। কিন্তু বৃষ্টির কারণে দুপুরেই দেড়শ’ টাকা হয়েছে। বাকি সময়তো পড়েই থাকলো। সবমিলিয়ে সারাদিনের গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি গরম হতে দৌলতপুরবাসীকে সামান্য স্বস্তি দিলেও, স্বস্তির চেয়ে দুর্ভোগ বাড়িয়েছে বেশি।
(ঊষার আলো-এমএনএস)