পাইকগাছায় পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে ভাই ও তার শরীকদের বঞ্চিত করার অভিযোগ

সর্বশেষ আপডেটঃ
66
0

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি : পাইকগাছায় পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে ভাই ও তার শরীকদের বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আদালতে মামলা দাখিল ও জেলা পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আদালত তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পিবিআইকে নির্দেশনা দিয়েছেন।
প্রাপ্ত অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার উত্তর খড়িয়া গ্রামের মৃত লক্ষ্মণ চন্দ্র বৈদ্য ৩ পুত্র যথাক্রমে নবজীবন কুমার বৈদ্য, পরেশ চন্দ্র বৈদ্য ও নরেশ চন্দ্র বৈদ্য। স্বাধীনতার পর দুই পুত্র পরেশ ও নরেশকে নিয়ে পিতা লক্ষ্মণ ভারতের ননিতাল জেলার গুপিয়াশ্বরীতে বসবাস করেন। লক্ষ্মণ চন্দ্রের বড় ছেলে নবজীবন, অপর ছেলে পরেশের স্ত্রী অঞ্জলী রাণী বৈদ্য ও তাদের এক ছেলে ও মেয়ে নিয়ে বাংলাদেশে থেকে যান। পরবর্তীতে নবজীবন তাদের উপর অমানবিক আচরণ করলে পরেশের স্ত্রী ছেলে-মেয়েকে নিয়ে পিতার বাড়িতে আশ্রয় নেয়। এদিকে, অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, বার্ধক্যজনিত কারণে লক্ষ্মণ বৈদ্য ভারতে অবস্থানরত অবস্থায় ১২/০১/২০২১ তারিখে মৃত্যুবরণ করেন। শ্বশুরের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে পরেশের স্ত্রী অঞ্জলী রাণী ত্রিবস্ত্র ধারণ করেন ২৫/০১/২০২১ তারিখ লক্ষ্মণ বৈদ্যের আত্মার শান্তি কামনায় পরেশের স্ত্রী ও সোমনাথ বৈদ্য আত্মার সৎগতি কামনায় আত্মীয়-স্বজন প্রতিবেশী, চেয়ারম্যান ও মেম্বরদের নিয়ে শ্রদ্ধার্ঘ্যরে আয়োজন করেন। এদিকে, লক্ষ্মণ বৈদ্যের খড়িয়া ঢেমশাখালী মৌজায় এস,এ ৭৭৫, ডি.পি ২১৪০ খতিয়ানের বিভিন্ন দাগে ২.৭৬ একর নালিশী সম্পত্তি ছেলে নবজীবন বৈদ্য তার মামা রাজ নারায়ণ সানার সহযোগিতায় পিতা লক্ষ্মণ বৈদ্যকে ১৫/০২/১৯৮৭ তারিখে মৃত্যু দেখিয়ে ভূমি অফিস থেকে নামপত্তন (৮৬-৮৭ নং) করার মাধ্যমে ৭৭৫/২ নং পৃথক জাল খতিয়ান ও ২৩/০৩/২০০০ তারিখে পরেশ ও নরেশকে দাতা দেখিয়ে ১৩২৮নং জাল ও তঞ্চকীপূর্ণ দলিল করেন নবজীবন। জায়গা জমির এ বিরোধকে কেন্দ্র করে গত ২৭/০৩/২০২১ তারিখে নবজীবন পরেশের স্ত্রী অঞ্জলী রাণী বৈদ্যের বসত বাড়ীতে প্রবেশ করে ঘর-বাড়ী, ভাংচুর করে ক্ষতিসাধন ও মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করে। এ ঘটনায় পরেশের ছেলে সোমনাথ বৈদ্য বাদী হয়ে নবজীবন, ছেলে প্রদীপ বৈদ্য ও রাজনারায়ন সানাকে বিবাদী করে পাইকগাছা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দাখিল করেছে। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন। একইভাবে ২৩/০৩/২০২১তারিখে জেলা পুলিশ সুপার বরাবর পৃথক একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগের বিষয়টি তদন্তের জন্য থানা পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

(ঊষার আলো-এমএনএস)

+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ