পাড়া-মহল্লায় জনসমাগম কমছে না: মাস্ক ব্যবহারে অনীহা

সর্বশেষ আপডেটঃ

ঊষার আলো প্রতিবেদক : খুলনায় স্বাস্থ্যবিধি না মানায় বাড়ছে সংক্রমন ও মৃত্যুর সংখ্যা। প্রতিদিনই রেকর্ড পরিমান বাড়ছে শনাক্ত ও মৃত্যুর হার বেড়েই চলেছে। তবুও প্রতিদিনের মৃৃত্যুর খবর বা নতুন নতুন শনাক্তের খবরেও কোনরুপ করোনায় আক্রান্তের ভয়ভীতি ফেলছেনা ছোট্ট উপশহর দৌলতপুর বাসীকে। নিয়মেই কোনরুপ তোয়াক্কা না করে স্বাভাবিক ভাবেই চলছে সবকিছু। খুলনা জেলা প্রশাসনসহ দেশব্যাপী করোনা সংক্রমনের প্রকোপ কমাতে লকডাউন বাস্তবায়নে যে বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে, বিশেষ করে খুলনা জেলা প্রশাসনর কঠোর বাস্তবায়নের লকডাউন প্রজ্ঞাপনুসারে, বিনা প্রয়োজনে ঘরে বাইরে বের হতে নিষেধের আদেশ বহাল রাখা হলেও তার কোনরুপ প্রভাব পড়ছে না নগরীর দৌলতপুরে পাড়া-মহল্লার আড্ডায়। লকাডাউনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই যেন শিথিতলা নেমে এসেছে নগরীর সর্বত্র জুড়ে। করোনা সংক্রমণ খুলনাতে মহামারী আকার ধারণ করার পরও স্বাস্থ্যবিধি না মেনে অবাদে চলাচল, অন্যদিকে অনেকের মুখে মাস্কই নেই। যদিও মাস্ক দেখা গেছে তবে সেটা মুখে নয়, থুতনিতে বা পকেটে। খুলনা জেলায় করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে যে লকডাউনে যে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে পাড়া মহল্লার জনসমাগম আর আড্ডা দেখে মনে হচ্ছে না লকডাউন চলছে। সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি আলোকে বিশেষ করে বাধ্যতামূলক মাস্ক পরিধান করে চলার কথা বলেও দৌলতপুরের মহাসড়ক, যানবহন, বাজারসহ সর্বত্র জনসমাগমে বিশেষ থানাধীন চায়ের দোকানসহ পাড়া-মহল্লায় অবাদে মাস্ক ছাড়াই আবাদে ছুটে বেড়াচ্ছে শিশুসহ সকল বয়সের মানুষ। তাদের স্বাভাবিক চলাফেরা দেখে মনে হচ্ছে দেশ হতে বোধায় করোনা ব্যাধি বিদায় নিয়েছে।
সরেজমিনে, দৌলতপুর খুচরা কাঁচা বাজার সংলঘœ, নিশাত কমপ্লেক্স, মুহসীন মোড়, কেডিএ মাঠ, মুচিপাড়া, আমতলা, মুকুল ভান্ডার, পাখির মোড়, আসাদের মোড়, যশোর মোড়, পাবলা, নতুনরাস্তা, কবির বটতলা, মধ্যডাঙ্গা নগর, মধ্যডাঙ্গা স্কুল মাঠ, পালপাড়া, কালিবাড়ী রেলিগেট, কুলিবাগানসহ এলাকার চায়ের দোকানগুলোতে সকলেই মাস্ক ছাড়া অবাদে বসে আছে। চলাচল করছে পাড়া-মহল্লায় ইচ্ছা-স্বাধীন মতো। নেই স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা। তবে ভূলে গেলে চলবেনা স্বাস্থ্যবিধি না মানলে মৃত্যুর ঝুঁকি আছে।
করোনা মহামারীর সংক্রমণ অতীতের দিনগুলোর রেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়ার দরুন লকাডাউনের মাধ্যমে যে সংক্রমণ রোধের যে নেতিবাচক দিক বিবেচনা করা হচ্ছে বাস্তাবে তার মানার কোন রুপ প্রবনতার দেখা মিলছেনা চায়ের দোকানের জনাসমাগম বা পড়া-মহল্øার আড্ডায়। এমন চিত্র উঠে এসেছে দৌলতপুরের সর্বত্র জুড়ে। প্রতিদিনই নতুন করে করোনা সংক্রমিত হচ্ছে মানুষ তবুও দৌলতপুরের চায়ের দোকান আর পাড়া-মহল্লার অবাদে চলাচলে বাড়নি মাস্ক ব্যবহারে সচেনতা। তাই দৌলতপুর যেন ঝুলছে করোনা সংক্রমনের ঝুঁকির মধ্যে। দৌলতপুর থানার ওসি (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম মিন্টু বলেন, মাস্ক ব্যবহার ও স্বাস্থ্যবিধি মানাতে নিয়মিত সচেতনা কর্মকান্ড, বিশেষ করে চেকপোষ্ট টহল অব্যহত আছে। কঠোর আইন করে বা জরিমানা দিয়ে জনগনকে মাস্ক ব্যবহারে বাধ্য করা সম্ভব না বরং এ জন্য সচেতনতার বিকল্প নেই। সকলের মনে রাখা উচিত করোনাকে ভয় নয় বরং সচেতনা আর স্বাস্থ্যবিধি মেনে জয় করতে হবে। তাছাড়া প্রতিদিনই স্বাস্থ্যবিধির উপর জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক জরিমানা করলে ও আসছেনা সচেনতা।