‘বিএনপি-জামায়াত বাংলাদেশকে জঙ্গীবাদের অভয়াশ্রমে পরিণত করেছিলো’

সর্বশেষ আপডেটঃ

ঊষার আলো ডেস্ক : বাংলাদেশের জঙ্গিবাদের ইতিহাসে সব চেয়ে বড় ঘটনা হলো ১৭ আগস্ট দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলা। স্বাধীন বাংলাদেশকে একটি অকার্যকর ও মৌলবাদী রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্যে তৎকালীন বিএনপি জামায়ত সরকারের মদতপুষ্টু জামাআতুল মুজাহিদ (জেএমবি) দেশের ৬৩ জেলায় একযোগে এ সিরিজ বোমা হামলা করে। তাদের হামলা থেকে বাদ যায়নি সুপ্রিম কোর্ট, জেলা আদালত, জেলা প্রশাসক কার্যালয়, জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়, প্রেস ক্লাব সহ সরকারী ও আধা সরকারী বিভিন্ন দপ্তর ও স্থাপনা। তিনি আরও বলেন বাংলাদেশ কে জঙ্গীবাদের অভয়াশ্রমে পরিণত করেছিলো তৎকালীন বিএনপি জামায়ত সরকার। এমন ভয়াবহ হামলার পরও তৎকালীন সরকার তেমন কোন কার্যকরী পদক্ষে গ্রহণ করেনি। উপরন্তু তারেক জিয়াসহ তৎকালীন সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী এটাকে সরাসরি পৃষ্টপোষকতা করেছে, জঙ্গীদের বাঁচাতে সহযোগিতা করেছে। তৎকালীন সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী জঙ্গীবাদকে মিডিয়ার সৃষ্টি হিসেবে উপহাস করেছিলো। কিন্তু বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে জঙ্গীবাদের শিকড়কে উপড়ে ফেলতে সক্ষম হয়েছে। জিরো টলারেন্স নীতিগ্রহণ করে বাংলাদেশকে জঙ্গীবাদমুক্ত ও সন্ত্রাসবাদমুক্ত রাষ্ট্রে পরিণত করতে সাহসী ভুমিকা রেখে চলেছে জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার। তিনি আও বলেন জঙ্গী ও সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধে সরকারের পাশাপাশি আমাদের সাংগঠনিক ভাবে এগিয়ে আসতে হবে তাহলে ৭১ ও ৭৫ পরাজিত শক্তি এদেশেকে আর কখনো অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করতে পারবে না।

১৭ আগস্ট সারা দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলা দিবস উপলক্ষে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা।
মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানার সভাপতিত্বে এবং উপ দপ্তর সম্পাদক হাফেজ মোঃ শামিমের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা নূর ইসলাম বন্দ, শ্যামল সিংহ রায়, শেখ মোঃ ফারুখ হাসান হিটলু, এ্যাড মোঃ সাইফুল ইসলাম, মফিদুল ইসলাম টুটুল, রণজিত কুমার ঘোষ, আসাদুজ্জামান রাসেল, মশিউর রহমান সুমন। এসময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, অধ্যাপক মোঃ আলমগীর কবির, শেখ নূর মোহাম্মদ, এ্যাড আলোকানন্দ দাশ, সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ^াস, কাউন্সিলর আনিসুর রহমান বিশ^াস, এসএম আকিল উদ্দীন, কাউন্সিলর মাহফুজুর রহমান লিটন, এমরানুল হক বাবু, একেএম শাহজাহান কচি, মোতালেব মিয়া, আব্দুর রহিম খান, নূরিনা রহমান বিউটি, নুর জাহান সেমী, মুন্সি নাহিদুজ্জামান, জাহিদুল খলিফা, এ্যাড শামীম আহমেদ পলাশ, রণবীর বাড়ই সজল, মাহামুদুল হাসান সুজন, সোহান হোসেন শাওন, মাহামুদুর রহমান রাজেস, রুমান আহমেদ, মোঃ আফরাশ আলী শিপন সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।