শেষ হচ্ছে কলড্রপ ও ইন্টারনেট সেবা নিতে গ্রাহকের ভোগান্তি!

সর্বশেষ আপডেটঃ

ঊষার আলো রিপোর্ট : শ্রীলঙ্কা অথবা মালয়েশিয়ায় যে তরঙ্গে সেবা পাচ্ছে ২ কোটির মতো মানুষ, একই পরিমাণ তরঙ্গে বাংলাদেশে ১৭ কোটি গ্রাহককে সেবা দিচ্ছে ৪ মোবাইল ফোন অপারেটর। প্রতি মেগাহার্টজ তরঙ্গে সেবা পাচ্ছে গড়ে ১৩ লাখ গ্রাহক। এতে তলানিতে নেমেছে সেবার মান। যার উন্নয়নে বাড়তি তরঙ্গ কেনা ছাড়া অন্য কোন বিকল্প নেই।
বর্তমানে ৩৭ মেগাহার্টজ তরঙ্গ দিয়ে প্রায় ৮ কোটি গ্রাহককে সেবা দিচ্ছে দেশের শীর্ষ অপারেটর গ্রামীণফোন। প্রতি মেগাহার্টজ তরঙ্গের বিপরীতে গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ২২ লাখ। একই পরিমাণ তরঙ্গ দিয়ে প্রায় ১৫ লাখ গ্রাহককে সেবা দিচ্ছেন রবি। আর বাংলালিংকের গ্রাহক ১২ লাখ। যেখানে শ্রীলঙ্কা ও মালয়েশিয়ায় প্রতি মেগাহার্টজে গ্রাহক সংখ্যা দেড় লাখের কম। নেপাল, মিয়ানমারে সেবা পাচ্ছে ৩-৪ লাখ মানুষ।
তরঙ্গ কম থাকায় করোনাকালে কলড্রপ, ইন্টারনেটের ধীরগতিসহ গ্রাহক ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে । চাপ সামাল দিতে না পেরে তরঙ্গ চেয়ে বিটিআরসিকে চিঠি দিয়েছে মোবাইল ফোন অপারেটররা। এবার তাতে সাড়া দিয়ে ৮ মার্চ নিলাম ডেকেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। বিটিআরসি বলছে, ২ টি ব্যান্ডে মোট ২৭ দশমিক ৪ মেগাহার্টজ তরঙ্গ তুলবে নিলামে। ২০১৮ সালের মতো এবারও ১৮০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডের ভিত্তিমূল্য ৩১ মিলিয়ন ডলার। আর ২৭ মিলিয়ন ডলার ভিত্তিমূল্যে বিক্রি হবে ২১শ’ মেগাহার্টজ ব্যান্ড।
বিটিআরসি স্পেকট্রাম কমিশনার এ কে এম শহীদুজ্জামান বলেছেন, বাংলাদেশে ৩ টি অপারেটর প্রাইভেট অপারেটর আর একটা সরকারি অপারেটর টেলিটক। টেলিটক শুধু ২১শ’ মেগাহার্টজ ব্যান্ডের যে অংশটুকু সেখানে তারা অংশগ্রহণ নিবে।
দাম না কমলেও এবারের নিলামে ২৫ শতাংশ অর্থ দিয়ে তরঙ্গ কেনার সুযোগ পাবে মোবাইল ফোন অপারেটররা। বাকি অর্থ ১৫ শতাংশ করে পরিশোধ করতে সময় মিলবে ৫ বছর।
এর আগে ২০১৮ সালে ফোরজি চালুর জন্য ১১টি ব্লকে ৪৬ দশমিক ৪ মেগাহার্টজ তরঙ্গ নিলামে তোলে বিটিআরসি। যার মধ্যে মাত্র ১৫ দশমিক ৬ মেগাহার্টজ বিক্রি হয়।

 

 

(ঊষার আলো-এম.এইচ)